mahabubalkiran1's Profile Pictures album on Photobucket

Monday, 9 June 2014

হাতের নখ দেখে বুঝে নিন জটিল কিছু স্বাস্থ্য সমস্যার লক্ষণ

প্রাচীন চীনের চিকিৎসকগণ হাতের আঙুলের নখ দেখে স্বাস্থ্য সমস্যা চিহ্নিত করতেন। নখ হৃদরোগ থেকে থাইরয়েড সমস্যা ও অপুষ্টিজনিত অনেক সমস্যাই চিহ্নিত করতে পারে। জেনে নিন জটিল স্বাস্থ্য সমস্যার ৫টি লক্ষণ যা নখ দেখে বুঝতে পারবেন আপনিও—
হাতের নখ দেখে বুঝে নিন জটিল কিছু স্বাস্থ্য সমস্যার লক্ষণ
১। আঙুলের মাংস থেকে নখ পৃথক হয়ে আসা:
নখ আঙুলের মাংসের সাথে যুক্ত থাকে। যদি এমন কখনো হয় যে নখ আঙুল থেকে উঠে আসছে অর্থাৎ নখ মাংস থেকে ছেড়ে আসছে তবে তা অবশ্যই স্বাস্থ্য সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। জীবাণুর সংক্রমণ, থাইরয়েড রোগ, ড্রাগ রিয়েকশন, Psoriasis, নখ অস্বাভাবিক শক্ত হওয়া প্রভৃতি সমস্যায় এরকমটি হতে পারে।
২। নখ হলুদ হওয়া:
নখ তার স্বাভাবিক রঙ হারিয়ে হলুদ হয়ে গেলে, নখের স্বাভাবিক বৃদ্ধি বা হ্রাস পেলে ও উজ্জ্বলতা কমে গেলে ধারণা করা হয় জণ্ডিস, ব্রঙ্কাইটিস, শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সমস্যা বা হাতফোলা রোগ (lymphedema) শরীরে বাসা বেঁধেছে।
৩। চামচ আকৃতির নখ:
নখ নরম ও পাতলা হয়ে ক্ষয়ে গিয়ে চামচের অবতল পিঠের মতো আকার ধারণ করার সম্ভাব্য কারণগুলো হচ্ছে— শরীরে আয়রণের অভাব ও রক্তশূন্যতা।
৪। নখের অস্বাভাবিক বক্রতা:
নেইলস্ট্রিপের কাছাকাছি থেকে নখ যদি একটু উপরের দিকে বেঁকে বৃদ্ধি পায় অর্থাৎ নখ ও নখের মাংসের স্বাভাবিক কৌণিক অবস্থান যদি না থাকে তবে এর কারণ হতে পারে— হৃদরোগ, রক্তে অক্সিজেনের স্বল্পতা, কার্ডিওভাসকুলার রোগ বা লিভারের রোগের মতো জটিল রোগ।
৫। অস্বচ্ছ নখ:
নখ যদি অস্বচ্ছ হয় এবং নখে গাঢ় দাগ পড়ে তবে বুঝতে হবে এটির কারণ হয়তো অপুষ্টি, হৃদক্রিয়ার সমস্যা, ডায়াবেটিস বা যকৃতের রোগ।
নখের এইসব সমস্যার কোনটি দেখা দিলে অবহেলা না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ থাকুন।
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/35893#sthash.JMEKlkCa.dpuf

গর্ভাবস্থায় আপনজনদের যত পরামর্শ

একজন নারী যখন গর্ভধারণ করেন তখন তার পরিবারের সবাই অনেক বেশি খুশি হয়ে থাকেন। দুই পরিবারের জন্যই খুশির সংবাদে পরিণত হয় এটি। আর এই সময়ে অবশ্যই নারীদের বেশ খানিকটা সাবধানে চলাফেরা করতে হয়। একজন নারী গর্ভধারণ করলে কিছু কথা তার নানী, চাচী, ফুফু, মা বা খালা জাতীয় আত্মীয় স্বজনরা বলতে অনেক বেশি পছন্দ করেন। এবং পরামর্শগুলো আসলে ঠিকও। আসুন জেনে নেই সেই পরামর্শগুলো।
গর্ভাবস্থায় আপনজনদের যত পরামর্শ
১. আপনি এমনই একজন গর্ভবতী নারী হয়ে থাকেন তাহলে তারা আপনাকে প্রথমেই বলে থাকবেন, ‘এই সময়টা মানুষের জীবনের সবচেয়ে খুশির একটি সময়। সাথে সাথে এটি খুব বিপজ্জনক একটি সময়ও। এ সময় মায়েদের অনেক সাবধানে চলাফেরা করতে হয়। তা না হলে সামান্য ভুলের জন্য আসন্ন সন্তান ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।’
২. তার সতর্ক করে থাকেন এই বলে যে, ‘এ সময় কোনো ধরনের ভারী কাজ একেবারেই নয়। কোনোভাবেই সন্তানের ক্ষতি হয় এই কাজগুলো করা যাবে না।’
৩. ‘এই বেশি করে শরীরের যত্ন নিতে হবে। সময় মত সব কাজ করে ফেলতে হবে। নিয়ম করে ঘুমানো, নিয়ম করে খাওয়া এবং নিয়ম করে গোসল সেরে নিতে হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম চলবে না। আস্তে আস্তে চলাফেরা করতে হবে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে।’
৪. ‘খাওয়া দাওয়া ঠিকভাবে করতে হবে। এ সময় এমনও হবে যে একেবারেই খেতে ইচ্ছা করবে না। কিন্তু তারপরও নিয়ম করে খেতে হবে। প্রয়োজনে অল্প অল্প করে বারবার খেতে হবে। প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, আমিষ, ভিটামিন খেতে হবে। মনে রাখতে হবে বাচ্চার সুস্থতা নির্ভর করে যথেষ্ট খাওয়া দাওয়ার উপরে।’
৫. সব আত্মীয় স্বজনরা গর্ভকালীন সমস্ত পরিকল্পনার কথা জানিয়ে দেন। তারা বলে থাকেন, ‘ তোমরা এখনই সিদ্ধান্ত নাও কোন হসপিটালে ডেলিভারী করাবে। সেখানকার সব ব্যবস্থা কেে রাখা ভালো। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নাও।’
৬. ‘ যে কোনো ভারী কাজ যেমন ঘর মোছা, কাপড় ধোয়া, আসবাবপত্র টানা এ সমস্ত কাজ একেবারেই করা চলবে না। এতে করে সন্তানের উপরে চাপ পড়বে। তাই এই ধরনের কাজ থেকে একেবারে বিরত থাকবে।’
৭. ‘ কোনো ধরনের বাজে চিন্তা করা যাবে না। মানসিকভাবে হতাশ থাকা যাবে না। রাতে ঘুম না আসলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।’
৮. এ সময় অনেক নারীরাই অনেক ফিগার নিয়ে টেনশনে পড়েন। এই বিষয়ে পরিবারের সবাই বলে থাকেন, ‘তোমার মাঝে এমন একটি ক্ষমতা আছে যে তুমি আরেকটি মানুষতে জন্ম দিতে পারছ। তাই তার যেন কোনো ধরনের সমস্যা না হয় তার দায়িত্ব তোমার। ফিগার নিয়ে অতিরিক্ত সচেতনতা আসন্ন সন্তানের জীবনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই এই বিষয় নিয়ে আপাতত চিন্তা না করাই ভালো।
৯. ‘তুমি বুড়ো হয়ে যাচ্ছ, বয়স বেড়ে যাচ্ছে, চেহারায় তার ছাপ পড়ছে, একজন গর্ভবতী মায়েদের এসব নিয়ে একেবারেই ভাবা উচিৎ নয়। এখন সময় তোমার সন্তানকে নিয়ে ভাবা।’
১০. ‘গর্ভকালে স্বামীর সাথে সহবাস করতে হলে অবশ্যই আসন্ন বাচ্চার কথা মাথায় রাখতে হবে। এমন কিছু করা উচিৎ নয় যেটিতে সন্তানের ক্ষতি হয়।’
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/36025#sthash.fmec4ayC.dpuf

যে খাবারগুলো আপনাকে রাখবে ‘সুপারফিট’ চিরকাল

কানিজ দিয়া


স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। স্বাস্থ্য ঠিক তো সব ঠিক। স্বাস্থ্য ঠিক থাকলেই আমরা শারীরিক ও মানসিকভাবে সকল ধরণের চাপ নেয়ার জন্য প্রস্তুত হতে পারি। আর আমাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য সব চাইতে বেশি প্রয়োজনীয় সঠিক খাবার।
যে খাবারগুলো আপনাকে রাখবে ‘সুপারফিট’ চিরকাল
খাবারই আমাদের দেহকে ঠিক রাখার জন্য সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য সুষম খাবারের বিকল্প নেই বলাই বাহুল্য। এমন অনেক খাবার রয়েছে যা আমাদের চিরকাল ফিট থাকতে অনেক সাহায্য করে। চলুন আজকে চিনে নেয়া যাক চিরকাল ‘সুপারফিট' থাকতে আমাদের যে খাবারগুলো প্রয়োজন সেই খাবারগুলোকে।
চিরকাল ত্বকে তারুণ্য ধরে রাখতে মাছ
সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন মাছ খেলে ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া, দাগ ও রিঙ্কেল পড়ার হাত থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব। মাছের প্রোটিন এবং ওমেগা৩ ফ্যাটি এসিড চামড়া ঝুলে পড়ার হাত থেকেও আমাদের ত্বককে রক্ষা করে থাকে।
মানসিক চাপমুক্ত থাকতে গ্রিন টী
গ্রিন টীর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কম্পাউন্ড আমাদের মস্তিস্কের রকের সুগারকে স্টিমুলেট করে আমাদের দেহে এনার্জি সরবরাহের হরমোন তৈরি করে। এছাড়াও এটি ভাললাগার হরমোন এন্ডোরফিন উৎপন্ন করে যা আমাদের মানসিক চাপকে দূর করে সহজেই।
স্মৃতিশক্তি উন্নয়নে হলুদ
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে হলুদ আমাদের স্মৃতিশক্তি প্রায় ৩০% পর্যন্ত উন্নত করতে সহায়তা করে। হলুদে বিদ্যমান কারকিউমিন আমাদের মস্ততিস্কের নিউরনের উন্নতি সাধন করে।
উচ্চরক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে দারুচিনি
গবেষণায় দেখা যায় প্রতিদিন মাত্র অর্ধেক চা চামচ পরিমাণে দারুচিনি গুঁড়ো আমাদের দেহের রক্তের চিনির মাত্রা কমিয়ে উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা প্রায় ২৯% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। তাই হেলথ এক্সপার্টগন উচ্চরক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য দারুচিনি খাওয়ার অভ্যাস করতে বলে থাকেন।
দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে শাকসবজি
প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় শাকসবজি রাখা হলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকগুণ পরিমাণে বেড়ে যায়। ফলে নান রোগ থেকে আমাদের দেহ রক্ষা পায় বেশ সহজেই। তাই খাদ্যতালিকায় রঙ বেরঙের সকল সবজি রাখালেই থাকতে পারবেন সুপার ফিট।
দেহের অভ্যন্তরীণ ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকতে মধু
মধু প্রাকৃতিক অ্যান্টি বায়োটিক হিসেবে অনেক আগে থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। নিয়মিত মধু খেলে আমাদের দেহের ভেতরকার ক্ষতিকর ভাইরাস সমূহ ধ্বংস হয়ে যায়। সাইনাসের সমস্যা এবং ঠাণ্ডা সর্দি ধরণের ছোটোখাটো রোগ দ্রুত সেরে যায়।

- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/36195#sthash.kotHnB7l.dpuf

Thursday, 13 February 2014

কার বেশি সুখ

: বলো তো সেক্স করার সময় ছেলে না মেয়ে কে বেশি আনন্দ পায়?
: অব্যশই মেয়ে ।
: কেন ?
: যখন কাঠি দিয়ে কান খোঁচাও আরামটা কোথায় লাগে, কানে না লাঠিতে ??

আমার টাকাটা দিয়ে যাবেন

স্বামী-স্ত্রী রতিক্রিয়ার সময়–
স্ত্রীঃ আজ তোমার কেমন লাগছে গো?
স্বামীঃ দারুন লাগছে ডার্লিং… ইচ্ছে করছে তোমার ভিতর চিরদিনের জন্য ডুকে যাই।
বারান্দায় কাজের বুয়াঃ ডুকে যাওয়ার আগে আমার টাকাটা দিয়ে যাবেন।
 - See more at: http://www.ebanglajokes.com/761#sthash.D6dlfTta.dpuf

ওহ শিট!

তিনজন নানের মধ্যে কথা হচ্ছিল। প্রথম জন বলল, ‘ফাদারের ঘর পরিস্কারের সময় আমি কি পেয়েছিলাম জানো? অনেকগুলো পর্ণগ্রাফিক ম্যাগাজিন!’
‘তো তুমি সেগুলো দিয়ে কী করলে?’ অন্য জন্য জিজ্ঞেস করল।
‘ফেলে দিয়েছিলাম।’
দ্বিতীয়জন বলল, ‘গতকাল আমি তার ঘরে অনেকগুলো কনডম পেয়েছিলাম।’
অন্য দুইজন খুব অবাক হল। পরে জিজ্ঞেস করলো সে সেগুলো কী করেছে।
দ্বিতীয়জন বলল, ‘সবগুলা ছিদ্র করে রেখে দিয়েছিলাম।’
তৃতীয়জন বলল, ‘ওহ শিট!’
- See more at: http://www.ebanglajokes.com/6572#sthash.HV5X1YK3.dpuf

অভাব

একটা পিচ্চি ছেলে আরেকটি পিচ্চি মেয়ে পাশাপাশি দুইটি বাড়িতে থাকে। ছেলেটির মা ছেলেটিকে একদিন একটা ফুটবল কিনে দিল। ছেলেটি সেটা মেয়েটিকে দেখালে মেয়েটি বলল আমাকে খেলতে নাও। ছেলেটি বলল, ‘এটা ছেলেদের খেলা। তুমি খেলতে পারবে না।’
মেয়েটি মন খারাপ করে চলে গেল। পরেরদিন মা’কে বলে নিজে একটা ফুটবল কিনে ছেলেটিকে দেখিয়ে দেখিয়ে বাড়ির সামনে একা একা খেলতে লাগল।
ছেলেটি এবার একটা সাইকেলের ব্যবস্থ
া করে মেয়েটিকে দেখিয়ে বলল, ‘তুমি এটা চালাতে পারবে না।’
কিন্তু দেখা গেল পরেরদিন মেয়েটিও সাইকেলে চড়ছে।
ছেলেটি এবার প্যান্ট খুলে নিজের গোপনাঙ্গ দেখিয়ে বলল, ‘এবার যাও, পারলে তোমার মা’কে বলো তো এমন কিছু তোমাকে কিনে দিতে পারে কিনা?’
পরের দিনে মেয়েটি বাড়ির আঙিনায় দাঁড়িয়ে নিজের প্যান্ট খুলে নিজের গোপনাঙ্গের দিকে ইঙ্গিত করে বলল, ‘মা বলেছে যতদিন আমার এইটা থাকবে ততদিন তোমার মত ওরকম জিনিসের অভাব হবে না।’
- See more at: http://www.ebanglajokes.com/6565#sthash.J0vUSOJS.dpuf