mahabubalkiran1's Profile Pictures album on Photobucket
Showing posts with label Helth & Lifestyle Tips-. Show all posts
Showing posts with label Helth & Lifestyle Tips-. Show all posts

Friday, 15 August 2014

স্ত্রীর সঙ্গ পেতে হাত লাগান বাড়ির কাজে

আপনি কি নিজের স্ত্রী’কে বাড়ির কাজে সাহায্য করেন? যদি না করে থাকেন, তাহলে সুখী এবং আনন্দের দাম্পত্য জীবনের জন্য ঘরের কাজে সাহায্য করুন স্ত্রী’কে। বাড়ির কাজ আপনি এবং আপনার স্ত্রী একসঙ্গে করলে দুজনের যৌন সম্পর্ক অনেক বেশি সুখকর হবে, এমনটাই জানা গিয়েছে সম্প্রতি একটি গবেষণার মাধ্যমে।
স্ত্রীর সঙ্গ পেতে হাত লাগান বাড়ির কাজে
কাউন্সিল অফ কনটেম্পোরারি ফ্যামিলির প্রধান প্রফেসর শ্যারন স্যাসলার তার দীর্ঘ গবেষণার পর এই সিদ্ধান্তে এসেছেন। তার মতে দশ’জন দম্পতির মধ্যে তিন’জন নিজেদের বাড়ির কাজ ভাগ করে নিয়ে করেন এবং সমীক্ষার মাধ্যমে যানা গিয়েছে তাদের দাম্পত্য জীবন বাকিদের থেকে অনেক বেশি সুখের।
গবেষণার মাধ্যমে যে তথ্যগুলি সামনে এসেছে তা হল, স্বামীরা যদি স্ত্রীদের বাড়ির কাজে সাহায্য করেন তবে মহিলারা অনেক বেশি ইচ্ছুক থাকেন যৌন মিলন সম্পর্কে। কিন্তু প্রতিদিনের বাড়ির কাজ একা হাতে সামলাতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে যান মহিলারা এবং স্বাভাবিকভাবেই রাত্রে যৌনমিলনে অনীহা প্রকাশ করেন।
বেশ কিছু বছর আগে একটি সমীক্ষা এবং গবেষণার মাধ্যমে জানা গিয়েছিল গৃহকর্মে যে দম্পতিরা ব্যস্ত থাকেন তাদের মধ্যে যৌন চাহিদা কমে যায়।
কিন্তু এই প্রসঙ্গে প্রফেসর স্যাসলার বলেছেন, ‘ আগের গবেষণাটিতে মূলত ১৯৮০ সালের জীবনযাত্রার ওপর নির্ভর করে করা হয়েছিল। তাই ওই ধরনের ফলাফল বেরিয়েছিল।’
কিন্তু এখন জীবনযাত্রা পালটে গিয়েছে। স্বামী স্ত্রী দুজনেই কর্মরত সেখানে কাজ ভাগ করে নিলে ক্লান্তিও বেশি হয় না এবং একে অপরের প্রতি টান থাকে যার ফলে যৌন মিলনের ইচ্ছা বেঁচে থাকে। তাই আজকের যুগের নতুন স্বামীরা, স্ত্রী’র সঙ্গে বেশি পেতে হলে তাদের ঘরের কাজে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন ।
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/38440#sthash.GinZ1ORA.dpuf

মধুর দাম্পত্যের জন্য প্রতিদিন যে অভ্যাসগুলো রপ্ত করা একান্ত প্রয়োজন

নুসরাত শারমিন লিজা


ইদানিং প্রতিটি সম্পর্ক নিয়েই মানুষের অভিযোগের শেষ নেই। বিশেষ করে দাম্পত্য সম্পর্ক হলে যেন অভিযোগ সবচাইতে বেশি। প্রতিটি বিষয় নিয়েই আজকাল দম্পতিদের মাঝে দেখা দিচ্ছে নানান অসন্তোষ ও অভিযোগ। ফলে দাম্পত্য সম্পর্কগুলো হারিয়ে ফেলছে মধুরতা। দাম্পত্য সম্পর্ককে মধুর করে তুলতে চাইলে কিছু বিশেষ অভ্যাস রপ্ত করা প্রয়োজন। হঠাৎ হঠাৎ নয়, বরং প্রতিদিনের জন্য। প্রতিদিন এই ছোট্ট কাজগুলো করার বিশেষ অভ্যাস দাম্পত্য সম্পর্কে ভালোবাসা বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে সম্পর্কের প্রতি বিরক্তি দূর করে ফেলে খুব সহজেই। জেনে নিন দাম্পত্য সম্পর্ক মধুর করে তোলার সেই বিশেষ অভ্যাসগুলো সম্পর্কে যেগুলো রপ্ত করে নেবেন প্রতিদিনের জন্য।
মধুর দাম্পত্যের জন্য প্রতিদিন যে অভ্যাসগুলো রপ্ত করা একান্ত প্রয়োজন
একই সময়ে ঘুমানো
দিন শেষে ক্লান্ত শরীরে দুজনে ঘুমিয়ে পড়ুন একই সময়ে। সারাদিনের ছোটখাটো গল্প আর ভালোবাসার মিষ্টি মিষ্টি কথায় ঘুমানোর আগের সময়টা বেশ ভালো কাটবে দুজনের। এতে সম্পর্কটাও আরো মধুর হয়ে উঠবে।
একই ধরণের শখ
আপনার সঙ্গীর শখ গুলোর প্রতি আগ্রহ দেখান। এতে আপনার সঙ্গীও আপনার শখ গুলোর প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠবেন। আপনার সঙ্গীর কোনো শখ যদি আপনার বিরক্তির কারণ হয়ে থাকে তাহলে সেটা তাকে বুঝতে দেবেন না। এতে সম্পর্কটা আরো সুন্দর হবে। সেই সঙ্গে কেটে যাবে সম্পর্কের একঘেয়েমি।
হাত ধরে হাঁটা
প্রেমের শুরুতে কিংবা বিয়ের পর পর হাত ধরেই হাঁটতেন দুজনে। কিন্তু কিছুদিন যাওয়ার পরই হাঁটতে শুরু করেছেন নিজেদের মত করে। সেই পরস্পরকে ছুঁয়ে থাকার স্বভাবটা কোথায় যেন হারিয়ে গেছে। আবারো ধরে ফেলুন সঙ্গীর হাতটি। কারণ বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে যেসব দম্পতি হাত ধরে হাঁটেন তাদের নিজেদের মধ্যে ভালোবাসা ও নিরাপত্তাবোধ সৃষ্টি হয় যা সম্পর্ককে সুখের করে তোলে।
কাজ শেষে দেখা হলেই আলিঙ্গন করা
সারাদিন দুজনেই ব্যস্ত সময় কাটান। দিন শেষে দেখা হয় দুজনের। এই সারাদিনের দেখা না হওয়ার দূরত্বটা নিমিষেই ঘুচে যাবে যদি আপনি দিন শেষে দেখা হওয়া মাত্র আপনার সঙ্গীকে আলিঙ্গন করেন। প্রতিদিনের এই অভ্যাসটি আপনার সম্পর্কটাকে সুন্দর রাখবে।
প্রতিদিন ‘ভালোবাসি’ বলা
সম্পর্কটা যতদিনের পুরোনোই হোক না কেন প্রতিদিনই সঙ্গীকে একবার করে ভালোবাসার কথা জানিয়ে দিন। ভালোবাসার কথা প্রতিদিন জানিয়ে দিলে সম্পর্ক কখনোই পুরনো হয়না।
সঙ্গীর দোষের বদলে গুণ খুঁজুন
বেশিরভাগ দম্পতিই সঙ্গীর দোষ খুঁজে বেড়াতে পছন্দ করেন। ফলে সম্পর্ক ভালো হওয়ার বদলে উল্টো খারাপ হতে থাকে। তাই অহেতুক সঙ্গীর দোষ না খুঁজে চেষ্টা করুন গুণ গুলো খুঁজে বের করার।
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/38713#sthash.OBdx3W5H.dpuf

৮টি অতি সাধারণ কাজ, যেগুলো মেয়েদের কাছে দারুণ রোমান্টিক!

ভালোবাসা মানে কি কেবল প্রেমিকা কিংবা বউকে রাশি রাশি উপহার দেয়া, দামী রেস্তরাঁয় খেতে যাওয়া কিংবা এখানে-সেখানে ঘোরা প্রতিদিন? একদম কিন্তু নয়! এসব দিয়ে কিছু মেয়েকে খুশি করা যায় বটে, কিন্তু বেশিরভাগ মেয়েই খুশি হয়ে থাকেন একদম সাধারণ কিছু ভালোবাসায়। হয়তো আপনার কাছে সেটা খুবই আনরোমান্টিক বা মূল্যহীন, কিন্তু মেয়েদের কাছে বিষয়টির মূল্য অনেক বেশি। আসুন, জানিয়ে দেই ৮টি এমন কাজ সম্পর্কে, যেগুলো করার মাধ্যমে খুব সহজেই জিতে নিতে পারবেন আপনি পছন্দের মেয়েটির মন। এবং সহজে আর অন্য কোন পুরুষ স্থান করে নিতে পারবে না সেই মনে। আর হ্যাঁ, আপনাদের ভালোবাসা হয়ে উঠবে অনেক বেশি মজবুত ও সুন্দর।
৮টি অতি সাধারণ কাজ, যেগুলো মেয়েদের কাছে দারুণ রোমান্টিক!
১) চুম্বনটি হোক ভীষণ আন্তরিক
অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন, চুমু তো আন্তরিকই হয়! চুমু খাওয়ার সময় তাঁর সুন্দর মুখটি নিজের দুহাতে কোমল করে ধরুন। আর অনেকটা সময় নরম করে তাকিয়ে থাকুন। দেখবেন, এই সামান্য জিনিসটি তিনি কি পছন্দই না করছেন। একটু লজ্জা পাচ্ছেন, আবার একটু খুশিও হচ্ছেন। নারীদের কাছে এই বিষয়টি খুব রোমান্টিক।
২) মাঝে মাঝেই তাঁর মাথায় হাত রাখুন
ভালোবাসা মানে শুধু তীব্র প্রেম আর দৈহিক আকর্ষণ নয়। একদম সাধারণ একটি স্পর্শও প্রকাশ করতে পারে গভীর ভালোবাসা। তাঁর মাথায় হাত রাখুন, কখনো চুলের মাঝে হাত বুলিয়ে দিন, মুখে চুল এসে পড়লে আলতো করে সরিয়ে দিন। আপনার এই ভালোবাসার ছোট্ট আচরণ তাঁর মনে তৈরি করে নেবে বিশাল একটি জায়গা।
৩) তাঁকেও সুযোগ দিন আরাম করার
আপনার স্ত্রী নিশ্চয়ই সারাদিন কাজ করেন বাসায়? আর কর্মজীবী হয়ে থাকলে তো বাসা-অফিস মিলিয়ে তাঁর অবস্থা নিশ্চয়ই কাহিল! বাড়িয়ে দিন সাহায্যের হাত। চেষ্টা করুন এটা-সেটায় তাঁকে একটু সাহায্য করতে। নিজে রাঁধতে না পারেন, মাঝে মাঝে ডিনারের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে না হয় বাইরে থেকেই খাবার কিনে আনুন। এই একটুখানি আদরে আপনি তাঁর কাছে পাবেন আন্তরিক সম্মান।
৪)দুজনে বাইরে যাচ্ছেন?
হয়তো স্ত্রী বা প্রেমিকা খুব সেজেগুজে বের হয়েছেন আপনা সাথে বেড়াতে যাবেন বলে। হয়তো সাধারণত রিকশা বা বাসেই চলাচল করেন আপনারা। আজ নিয়ম ভেঙে একটি সিএনজি বা ট্যাক্সি ভাড়া করে ফেলুন। একটুখানি আরামে দুজনে পাশাপাশি উপভোগ করুন খানিকটা সময়। একটা দিন নাহয় তাঁকে বাস বা রিকশার যন্ত্রণা থেকে বাঁচিয়ে দিলেন।
৫) ভিড়ের মাঝে আগলে রাখুন
প্রচণ্ড ভিড় হয়তো বাসে কিংবা মার্কেটে। হয়তো কোথাও বেড়াতে গিয়েছেন বা সিনেমায় গেছেন, সেখানেও। এই ভিড়ের মাঝে ভালোবাসার নারীকে অবশ্যই একটু আগলে রাখুন। চেষ্টা করুন তাঁকে ঠেলাঠেলি থেকে রক্ষা করতে, হাতটা শক্ত করে ধরে রাখুন। কে কী ভাবল সেসব নিয়ে চিন্তা করবেন না। সে যেন বোঝে যে জীবনের সকল পরিস্থিতিতে আপনি তাঁর পাশেই আছেন।
৬) সবসময় তাঁকে সুন্দর, পরিপাটি থাকার জন্য চাপ দেবেন না
হ্যাঁ, তিনিও মানুষ। সবসময় সুন্দর পোশাক পরে পরিপাটি থাকা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। সবসময়ে একজন মানুষকে দেখতে ভালো দেখানো এক কথায় অসম্ভব। তিনি যখন নিজের সবচাইতে খারাপ পোশাকটি পরে আছেন, কিংবা যেদিন তাঁকে দেখতে সবচাইতে বাজে লাগছে, কিংব সাজসজ্জা বিহীন ঘুরতে বেরিয়েছেন- তখনও তাঁকে সুন্দর বলুন। মিথ্যা করে হলেও বলুন। এই ছোট্ট মিথ্যাই তাঁকে নিয়ে আসবে আপনার খুব কাছাকাছি।
৭) ভুলবেন না ছোট্ট উপহার
তাঁকে অনেক কিছু কিনে দেয়ার সামর্থ্য নিশ্চয়ই আপনার আছে। কিন্তু সেসবের ভিড়ে ছোট্ট কিন্তু প্রিয় উপহার গুলোর কথা ভুলে যাবেন না। একটু ফুল, প্রিয় চকলেট, একটা গান, এক গুচ্ছ চুড়ি কিংবা এক পাতা টিপ- এসবের মাঝে যে রোমান্টিকতা আছে সেসব আসলে আর কিছুর মাঝে নেই।
৮) ছোট্ট আদুরে জেদ করুন
এর অর্থ তাঁকে নিয়ন্ত্রণ করা নয়, বরং নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করা। কী রকম? যেমন ধরুন তাঁর চোখের কাজল আপনার খুব ভালো লাগে, কিংবা কপালের টিপটা। আদর করে জানিয়ে দিন- "তুমি কিন্তু টিপ না পরে বাইরে মোটেও যাবে না!" এই সামান্য ব্যাপারে তিনি যে কতটা খুশি হবেন আপনার ধারণাও নেই।
জীবন একটাই। ভালো থাকুন, ভালো বাসুন।

Wednesday, 16 July 2014

পুরুষের কাছে নারীরা কী চায়?

পুরুষের কাছে নারীরা কী চায়?
নারীরা যে কী চায় তা ঈশ্বরও জানে না- বিশ্বের প্রায় সকল দেশের কোন না কোন মনীষীর এ সংক্রান্ত বাণী রয়েছে। অনেকেই মনে করেন নারীরা দামী শাড়ি, সোনা কিংবা হীরার অলংকার, ডালা ভর্তি উপহার  কিংবা বিদেশে ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন। আবার অনেক পুরুষ বলেন ‘নারীর চাওয়ার শেষ নেই’। আদৌ কি তাই? সঙ্গী অভিনয় জগতের তারকা হোক, গৃহিনী হোক কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হোক প্রতিটি নারীর চাওয়া কিন্তু একই।
সংবেদনশীল পুরুষেরা সব সময় নারীর পছন্দের শীর্ষে। আপনার নারী সঙ্গী হয়তো খুব তুচ্ছ কারণে হাউমাউ করে কান্না করছেন,তার কান্না দেখে আপনার প্রচণ্ড হাসি পাচ্ছে, তাই বলে তখন ভুলেও হাসতে যাবেন না।  হাসি চেপে রেখে চেষ্টা করুন তাকে টিস্যু পেপার এগিয়ে দিতে এবং তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে।
নারীর প্রতি যত্নবান হোন । নারীরা যত্নবান পুরুষদের পছন্দ করেন। গাড়ি থেকে নামার সময় নারী সঙ্গীর দিতে হাতটা বাড়িয়ে দিন।  রাস্তা পার হওয়ার সময় সাবধানে রাস্তা পার করে দিন।  কিংবা কোনো রেস্টুরেন্টে খেতে গেছেন তার পছন্দকে মূল্যায়ন করুন।  এসব ছোটোখাটো বিষয়ে সে আপনার প্রতি দুর্বল হয়ে পড়বে।
নারীরা আন্তরিকতা পছন্দ করেন। নারীরা আন্তরিকতার কারণে সব সময় পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গে থাকতে পছন্দ করেন এবং খোঁজখবর রাখতে পছন্দ করেন।  নারী সঙ্গীকে কিছুক্ষণ ফোন না দিলে তিনি নিজ থেকে ফোন করে জানতে চান, এখন  কি করছো, এতক্ষণ কোথায় ছিলে, কার সঙ্গে ছিলে। এসব কথা শুনে আপনার মনে হতে পারে নারী সঙ্গী কি আপনাকে সন্দেহ করছেন। আসলে কিন্তু তা নয়। তারা আন্তরিকতার কারণে পুরুষ সঙ্গীকে এসব কথা জিজ্ঞেস করেন। আপনি সম্পর্ক ভালো রাখতে আন্তরিকতার সঙ্গে এসব কথার উত্তর দিন। এবং তার খোঁজখবর রাখুন।
অতীতের প্রেম নিয়ে নারী সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলতে যাবেন না।  কোনো কারণে আপনার সাবেক প্রেমিকার সঙ্গে আপনার দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়েছিল এবং এক পর্যায়ে হয়তো ভেঙ্গে গেছে, তাই বলে বর্তমান প্রেমিকা কিংবা স্ত্রীর কাছে সাবেক প্রেমিকার দুর্নাম করতে যাবেন না। একইভাবে আপনার বর্তমান প্রেমিকার সাবেক প্রেমিককে নিয়ে কোনো কথা বলতে যাবেন না। এমনকি কখনও জানতে চাইবেন না কিভাবে তাদের সম্পর্কের ছেদ ঘটলো।
কাজ থেকে ফেরার পর অধিকাংশ পুরুষ নীরব থাকতে পছন্দ করেন। যা কিনা অধিকাংশ নারী তা পছন্দ করেন না। নারীরা চায় তার পুরুষ সঙ্গীর কাছে সারাদিনের ঘটে যাওয়া কথা খুলে বলতে এবং সঙ্গীর সারাদিনের রুটিন জানতে। নারী সঙ্গীর সঙ্গে মন খুলে কথা বলুন। শেয়ার করুন নিজের সারাদিনের কাজের কথা। দেখবেন সম্পর্ক মধুর হবে।
অধিকার খাটাতে গিয়ে বেশি জেরা করতে যাবেন না। কে ফোন করলো, কে এসএমএস করলো, কে ইমেইল এরকম অযাচিত প্রশ্ন করতে যাবেন না।
মানিব্যাগটি যথাসম্ভব তরতাজা রাখুন। আপনার সঙ্গীকে নিয়ে কোথাও ঘুরতে গেলে আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী তাকে তার পছন্দের জিনিস কিনে দিন। অনেক ব্যয়বহুল হতে হবে এমন কিন্তু নয়। হতে পার নারী সঙ্গীর পছন্দের চকলেট, আইক্রিম, ফুল কিংবা কাচের চুড়ি।
বিশ্বস্ত এবং এক নারীতে সন্তুষ্ট এমন পুরুষদের পছন্দ করেন নারীরা। নারীরা  সম্পর্কের বিশ্বস্ততাকে টাকা, পয়সা অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীর চাইতে অনেক বেশি প্রাধান্য দেয়, যা অনেকেরই অজানা।
নারীরা স্টাইলিশ পুরুষ পছন্দ করেন। সময়ের সঙ্গে আপনার ব্যাক্তিত্বের সঙ্গে মানায় এমন পোশাক পরুন। ভালো ব্রান্ডের পারফিউম, বডি স্প্রে ব্যবহার করুন।
প্রশংসা শুনতে নারীরা পছন্দ করেন। তার রূপের, সাজের, কাজের, পোশাকের এমনকি রান্নার প্রশংসা করুন। সঙ্গীর বিশেষ দিন যেমন জন্মদিন কিংবা অন্যান্য বিশেষ  দিনে শুভেচ্ছা জানান। তাকে সারপ্রাইজ দিন। নারীরা কাজের মূল্যায়ন পেতে পছন্দ করে। অফিসে যাওয়ার সময় মানিব্যাগ, টাই এগিয়ে দিলে তাকে ধন্যবাদ দিন।
নারীরা সব সময় তার সঙ্গীর কাছ থেকে নিরাপত্তা আশা করেন। তাই বলে মান্না বা সাকিব খানের মতো মারামারি করতে হবে এমন নয়। যতটা সম্ভব আপনার সঙ্গীকে আগলে রাখুন।
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/38123#sthash.ASQonfJm.dpuf

Monday, 16 June 2014

বিয়ের আগে অবশ্যই জেনে নিন হবু বর বা কণের ব্লাড গ্রুপ! কিন্তু কেন?



বিয়ের আগে অবশ্যই জেনে নিন হবু বর বা কণের ব্লাড গ্রুপ! কিন্তু কেন?
অনেক প্রেমিক-প্রেমিকাকেই দেখা যায় পরস্পরের ব্লাড গ্রুপ নিয়ে চিন্তিত হতে। বেশিরবাগ মানুষেরই ধারণা বর ও কণের ব্লাড গ্রুপ মিলে গেলে হতে পারে নানান রকম সমস্যা? আসলেই কি তাই? না, ধারণাটি একদম ভুল। ব্লাড গ্রুপ মিলে গেলে কোনো সমস্যা নেই। তবে বিয়ের আগে বর ও কণের ব্লাড গ্রুপ পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরী একটি বিষয়। কেন এটা এত জরুরী? আসুন, জেনে ও বুঝে নেই সেই বিষয়টি।
জেনে নেয়া যাক এই বিষয়ে জরুরী কিছু তথ্যঃ
স্বামী-স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ কেমন হওয়া উচিত সে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার আগে প্রথমে আমাদের ব্লাড গ্রুপ সম্পর্কে কিছু কথা জানা দরকার। প্রধানত ব্লাড গ্রুপ কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। একটা হল ABO system (A, B, AB & O), আরেকটা হল Rh factor {Rh positive(+ve) & Rh negative(-ve)}. অর্থ্যাৎ Rh factor ঠিক করবে ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হবে না নেগেটিভ হবে।
ব্লাড গ্রুপগুলো হলঃ
A+ve, A-ve, B+ve, B-ve, AB+ve, AB-ve O+ve, O-ve. জেনে নেয়া যাক, যদি অন্য গ্রুপের ব্লাড কারো শরীরে দেওয়া হয় তাহলে কী হবে?
কেন টেস্ট করাবেন?
যখন কোনো Rh নেগেটিভ গ্রুপের ব্যক্তিকে Rh পজেটিভ গ্রুপের ব্লাড দেয়া হয় তখন প্রথমবারে সাধারণত কোন সমস্যা হবে না। কিন্তু এর বিরুদ্ধে রোগীর শরীরে এন্টিবডি তৈরী হবে। ফলে রোগী যদি আবার কখনও পজেটিভ ব্লাড শরীরের নেয় তাহলে তার ব্লাড cell গুলো ভেঙ্গে যাবে, এবং মারাত্মক সমস্যা দেখা দেবে। যেমন জ্বর, কিডনি ফেইলিউর, হঠাৎ মৃত্যু ইত্যাদি। এই সমস্যাকে মেডিকেল টার্ম এ বলা হয় ABO incompatibility।
তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে স্বামী-স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ কী রকম হওয়া দরকার?
যদি স্বামীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ বা নেগেটিভ যে কোনো একটি হলেই হবে।
কিন্তু স্বামীর ব্লাডগ্রুপ যদি পজেটিভ হয়, তাহলে স্ত্রীকেও পজেটিভ ব্লাড গ্রুপের একজন হতে হবে। কোনোভাবেই স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হওয়া চলবে না। অর্থাৎ একজন নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপের নারী কেবলই একজন নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপের পুরুষকে বিয়ে করাই নিরাপদ।
যদি স্বামীর ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হয় আর স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে কী সমস্যা হবে?
রক্তের গ্রুপ মিলে গেলে কোন সমস্যা হয় না। তবে ভিন্ন ব্লাড গ্রুপে স্ত্রী যদি নেগেটিভ হয় আর স্বামী যদি পজিটিভ হয়, তাহলে সন্তান জন্মের সময়ে ‘লিথাল জিন’ বা ‘মারন জিন’ নামে একটি জিন তৈরি হয় যা পরবর্তীতে জাইগোট তৈরিতে বাঁধা দেয় বা জাইগোট মেরে ফেলে। সে ক্ষেত্রে মৃত বাচ্চার জন্ম হয়।
যদি স্বামীর ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হয় তাহলে সাধারনত বাচ্চার ব্লাডগ্রুপও পজেটিভ হবে। যখন কোনো নেগেটিভ ব্লাডগ্রুপের মা ধারন করবে পজেটিভ Fetus(ভ্রুন), তখন সাধারনত প্রথম বাচ্চার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবে না। কিন্তু ডেলিভারির সময় পজেটিভ Fetus এর ব্লাড, placental barrier ভেদ করে এবং placental displacement এর সময় মায়ের শরীরে প্রবেশ করবে। মায়ের শরীরে ডেলিভারির সময় যে ব্লাড প্রবেশ করবে, তা ডেলিভারি হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই মায়ের শরীরে Rh এন্টিবডি তৈরী করবে। এবং সমস্যা হবে দ্বিতীয় সন্তানের ক্ষেত্রে।
যখন মা দ্বিতীয় সন্তান বহন করবে, তখন যদি তার fetus এর ব্লাডগ্রুপ পুনরায় পজেটিভ হয় তাহলে মায়ের শরীরে আগে যেই Rh এন্টিবডি তৈরী হয়েছিলো সেটা placental barrier ভেদ করে বাচ্চার শরীরে প্রবেশ করবে। আর যখন fetus এর শরীরে Rh antibody ঢুকবে তখন fetal এর RBC এর সাথে agglutination হবে, যার ফলে RBC ভেঙে যাবে। একে মেডিকেল টার্ম এ “Rh incompatibility” বলে। অর্থাৎ শিশুটি মারা যাবে।
অর্থাৎ পজিটিভ ব্লাড গ্রুপের পুরুষ নেগেটিভ গ্রুপের মহিলাকে বিয়ে করলে তাঁদের একটিই সন্তান থাকার সম্ভাবনা বেশি। কোন কারণে প্রথম সন্তানটি জন্ম না নিলে পরবর্তীতে তারা নিঃসন্তান থেকে যাবার সম্ভাবনাও অত্যন্ত বেশি।
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/36506#sthash.KLeSwFC2.dpuf

যে ৭টি কথা সন্তানকে প্রতিদিন একবার করে বলা উচিত


আপনার সন্তানকে নিশ্চয়ই আপনি নিজের চাইতেও বেশি ভালোবাসেন। প্রত্যেকেই চান তার সন্তান বেড়ে উঠুক একজন সফল এবং ভালো মানুষ হিসেবে। আর তাই নিজের সন্তানের দেখাশোনার কোনো ত্রুটি রাখতে চান না কেউ। আপনার আদরের সন্তানকে প্রতিদিন কিছু বিশেষ কথা জানানো জরুরী। বিশেষ সেই কথাগুলো আপনার সন্তানের মনে ঢুকিয়ে দিলে জীবনের চলার পথে যেকোনো সমস্যার মোলাবেলা সহজেই করতে পারবে সে। জেনে নিন ৭টি কথা সম্পর্কে যেগুলো প্রতিদিনই একবার করে বলা উচিত সন্তানকে।
যে ৭টি কথা সন্তানকে প্রতিদিন একবার করে বলা উচিত
১) আপনার সন্তানকে প্রতিদিন একবার করে বলুন ‘তোমার উপর আমার বিশ্বাস আছে। তাকে বিশ্বাস করে ছোট খাটো কিছু দায়িত্ব পালন করতে দিন। তাহলে তার মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং সে আপনাকে আরো বেশি ভালোবাসবে।
২) সন্তানকে প্রতিদিন একবার করে হলেও বলুন সে যেন হাল ছেড়ে না দেয়। প্রতিটি কাজেই তাকে উৎসাহ দিন এবং হতাশ হয়ে হাল ছেড়ে দিতে মানা করুন। তাকে বলুন ধৈর্য ধরে এগিয়ে গেলেই সাফল্যের দেখা পাবে সে।
৩) কোনো কিছু না পারলে তাকে বকাঝকা না করে আরো বেশি অনুশীলন করতে বলুন। তাকে সবসময়েই এটা বলুন যে বার বার অনুশীলন করলেই সে ‘পারফেক্ট’ হতে পারবে।
৪) প্রতিটি ‘এক্সপার্ট’ মানুষই একসময়ে আনাড়ি ছিলো। এই কথাটি আপনার সন্তানকে প্রতিদিনই বুঝিয়ে বলুন। এতে সে যে কোনো কাজে সাহস পাবে।
৫) ব্যর্থতা কোনো অপরাধ নয় এটা আপনার সন্তানকে বুঝিয়ে বলুন। আপনার সন্তান কখনো ব্যর্থ হলে তাকে বকাঝকা না করে ব্যর্থতা কে ভুলে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে বলুন।
৬) মাঝে মাঝে খারাপ সময় আসে জীবনের । খারাপ সময় থেকে শিক্ষা নিয়ে ভালো সময়ে সেটাকে কাজে লাগানোর জন্য সন্তানকে উৎসাহিত করুন নিয়মিত
আপনার সন্তানকে প্রতিদিনই জানিয়ে দিন তাকে আপনি কত ভালোবাসেন।
৭) পরিবার হলো সবচাইতে নিরাপদ যায়গা এবং পরিবার আপনার সন্তানকে কতটা ভালোবাসে সেকথা তাকে জানিয়ে দিন। এতে সে নিজেকে নিরাপদ ভাববে এবং পরিবারের প্রতিও সে ভালোবাসা দেখাবে।
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/36514#sthash.aUcFoI8w.dpuf

Thursday, 12 June 2014

মেয়েরা যে ৬ টি কথা মুখে বলেন কিন্তু বোঝাতে চান অন্য কিছু!

বেশীরভাগ ছেলেদের একই আক্ষেপ ‘মেয়েদের বোঝা বড় দায়’। আসলেই মেয়েদের বোঝা দায়। কারণ তারা আসলে কী চান তা অনেক সময় তারা নিজেরাই বুঝতে পারেন না। অনেক সময়েই মেয়েদেরকে নিজের গোলোকধাঁধাঁয় নিজেকেই পড়তে দেখা যায়। হয়তো দেখা গেল মুখে বলছেন একটি কথা কিন্তু তাদের অন্তরে অন্য একটি কথা বাজছে। মেয়েরা চান তাদের অন্তরের কথাটা যেন ছেলেরা বুঝতে পারেন। যা ছেলেদের পক্ষে বোঝা আসলেই সম্ভব নয়।
মেয়েরা যে ৬ টি কথা মুখে বলেন কিন্তু বোঝাতে চান অন্য কিছু!
কিন্তু কিছু মারাত্মক কথা আছে যা মেয়েরা ব্যবহার করে থাকেন যার অর্থ না বুঝতে পারলে ক্ষতি ছেলেদেরই। কারণ না বুঝে কাজ করার পর মেয়েটির রিঅ্যাকশনের পুরোটাই সহ্য করতে হবে ছেলেটিকে। চলুন তবে আজকে দেখে নেয়া যাক মেয়েদের কিছু কথা আসল অর্থ।
‘আচ্ছা ঠিক আছে’
তর্কের সময় যদি আপনার প্রেমিকা/ স্ত্রী ‘আচ্ছা ঠিক আছে’ বলে কথা শেষ করেন তাহলে বুঝে নেবেন তিনি জানেন ঠিক বলছেন এবং আপনার চুপ থাকা উচিৎ এখন। এই জিনিসটি যদি আপনি না বুঝে তর্ক চালিয়ে যেতে থাকেন তাহলে গৃহযুদ্ধের জন্য তৈরি থাকবেন।
‘কিছু না’
মেয়েরা স্বভাবতই নিজের আবেগ একটু বেশীই প্রকাশ করে থাকেন। তাই তিনি যখন বলবেন কিছু না তখন আপনি ভেবে নেবেন অবশ্যই এখানে কিছু আছে। এবং তার কিছু না বলার অর্থ আপনি তাকে বারবার জিজ্ঞেস করে সত্যটা বের করার চেষ্টা করুন। আপনি যদি না বুঝে ‘ও আচ্ছা’ বলে চুপ থাকেন তাহলে রাগটা আপনার উপরেই পড়বে।
‘আচ্ছা যাও/ করো’
আপনি কোনো কাজ সম্পর্কে তাকে জানালেন, আপনি কোথাও যেতে আগ্রহী এবং কোনো কাজ করতে আগ্রহী, তখন যদি আপনার সঙ্গিনী শুকনো গলায় বলে ফেলেন "আচ্ছা যাও/করো" তাহলে খুশি মনে কাজে চলে যাবেন না। এটি মোটেও তার সম্মতির লক্ষণ নয়। এটি আপনাকে ছুঁড়ে দেয়া একটি চ্যালেঞ্জ। আপনি যদি কাজটি করে ফেলেন তবে আপনি চ্যালেঞ্জ হেরে যাবেন।
‘তুমি যা চাও’
আপনি কোনো কাজে আপনার সঙ্গিনীকে তার পছন্দ অপছন্দের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করার পর তিনি যদি বলেন ‘তুমি যা চাও/ তোমার ইচ্ছা’, তাহলে ভুলেও নিজের ইচ্ছা ও চাওয়া খাটাতে যাবেন না। আপনার সঙ্গিনী এই কথা দিয়ে বোঝাতে চান যে, আপনি সেই কাজটিই করুন যা তিনি পছন্দ করেন। তিনি দেখতে চান আপনি তার পছন্দ অপছন্দ মনে রেখেছেন কিনা বা গুরুত্ব দেন কিনা।
‘আমি ঠিক আছি’
এই কথাটিও ‘কিছু না’ ধরণের কথা। কোনো মেয়েকে কেমন আছো জিজ্ঞেস করলে সে যেমনই থাকুন না কেন আপনাকে বলবেন ‘আমি ঠিক আছি’। আপনি যদি তার কথা মেনে নিয়ে আর কোনো প্রশ্ন না করেন তাহলে বিপদ আপনারই। তার কথা বলার ধরণ, গলার টোন থেকে আপনাকে বুঝতে হবে তিনি কি আসলেই ঠিক আছেন কিনা। যদি বোঝেন তিনি আসলে ঠিক নেই তাহলে তাকে অবশ্যই প্রশ্ন করা শুরু করুন।
‘ওয়াও, তাই নাকি’
এই কথাটি মেয়েদের কথার মধ্যে সব চাইতে ভয়ানক কথা। কারণ সাধারণ ভাবে এই কথাটি কারো সম্পর্কে ইমপ্রেস হলে কিংবা অবাক হলে বলা হয়ে থাকে। বিশেষ করে কারো গুণাগুণ ও দক্ষতা সম্পর্কে। কিন্তু মেয়েদের ক্ষেত্রে এটি সামান্য ভিন্ন। তারা কমপ্লিমেন্ট হিসেবে এই কথাটি খুব কম ব্যবহার করেন। তারা তখনই এই কথা ব্যবহার করেন যখন তারা মনে মনে ভাবেন ‘মানুষ কি করে এতো বড় গাধা আর স্টুপিড হতে পারে’। সুতরাং সাবধান।
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/36367#sthash.3d6ZBlXc.dpuf

Monday, 9 June 2014

হাতের নখ দেখে বুঝে নিন জটিল কিছু স্বাস্থ্য সমস্যার লক্ষণ

প্রাচীন চীনের চিকিৎসকগণ হাতের আঙুলের নখ দেখে স্বাস্থ্য সমস্যা চিহ্নিত করতেন। নখ হৃদরোগ থেকে থাইরয়েড সমস্যা ও অপুষ্টিজনিত অনেক সমস্যাই চিহ্নিত করতে পারে। জেনে নিন জটিল স্বাস্থ্য সমস্যার ৫টি লক্ষণ যা নখ দেখে বুঝতে পারবেন আপনিও—
হাতের নখ দেখে বুঝে নিন জটিল কিছু স্বাস্থ্য সমস্যার লক্ষণ
১। আঙুলের মাংস থেকে নখ পৃথক হয়ে আসা:
নখ আঙুলের মাংসের সাথে যুক্ত থাকে। যদি এমন কখনো হয় যে নখ আঙুল থেকে উঠে আসছে অর্থাৎ নখ মাংস থেকে ছেড়ে আসছে তবে তা অবশ্যই স্বাস্থ্য সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। জীবাণুর সংক্রমণ, থাইরয়েড রোগ, ড্রাগ রিয়েকশন, Psoriasis, নখ অস্বাভাবিক শক্ত হওয়া প্রভৃতি সমস্যায় এরকমটি হতে পারে।
২। নখ হলুদ হওয়া:
নখ তার স্বাভাবিক রঙ হারিয়ে হলুদ হয়ে গেলে, নখের স্বাভাবিক বৃদ্ধি বা হ্রাস পেলে ও উজ্জ্বলতা কমে গেলে ধারণা করা হয় জণ্ডিস, ব্রঙ্কাইটিস, শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সমস্যা বা হাতফোলা রোগ (lymphedema) শরীরে বাসা বেঁধেছে।
৩। চামচ আকৃতির নখ:
নখ নরম ও পাতলা হয়ে ক্ষয়ে গিয়ে চামচের অবতল পিঠের মতো আকার ধারণ করার সম্ভাব্য কারণগুলো হচ্ছে— শরীরে আয়রণের অভাব ও রক্তশূন্যতা।
৪। নখের অস্বাভাবিক বক্রতা:
নেইলস্ট্রিপের কাছাকাছি থেকে নখ যদি একটু উপরের দিকে বেঁকে বৃদ্ধি পায় অর্থাৎ নখ ও নখের মাংসের স্বাভাবিক কৌণিক অবস্থান যদি না থাকে তবে এর কারণ হতে পারে— হৃদরোগ, রক্তে অক্সিজেনের স্বল্পতা, কার্ডিওভাসকুলার রোগ বা লিভারের রোগের মতো জটিল রোগ।
৫। অস্বচ্ছ নখ:
নখ যদি অস্বচ্ছ হয় এবং নখে গাঢ় দাগ পড়ে তবে বুঝতে হবে এটির কারণ হয়তো অপুষ্টি, হৃদক্রিয়ার সমস্যা, ডায়াবেটিস বা যকৃতের রোগ।
নখের এইসব সমস্যার কোনটি দেখা দিলে অবহেলা না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ থাকুন।
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/35893#sthash.JMEKlkCa.dpuf

গর্ভাবস্থায় আপনজনদের যত পরামর্শ

একজন নারী যখন গর্ভধারণ করেন তখন তার পরিবারের সবাই অনেক বেশি খুশি হয়ে থাকেন। দুই পরিবারের জন্যই খুশির সংবাদে পরিণত হয় এটি। আর এই সময়ে অবশ্যই নারীদের বেশ খানিকটা সাবধানে চলাফেরা করতে হয়। একজন নারী গর্ভধারণ করলে কিছু কথা তার নানী, চাচী, ফুফু, মা বা খালা জাতীয় আত্মীয় স্বজনরা বলতে অনেক বেশি পছন্দ করেন। এবং পরামর্শগুলো আসলে ঠিকও। আসুন জেনে নেই সেই পরামর্শগুলো।
গর্ভাবস্থায় আপনজনদের যত পরামর্শ
১. আপনি এমনই একজন গর্ভবতী নারী হয়ে থাকেন তাহলে তারা আপনাকে প্রথমেই বলে থাকবেন, ‘এই সময়টা মানুষের জীবনের সবচেয়ে খুশির একটি সময়। সাথে সাথে এটি খুব বিপজ্জনক একটি সময়ও। এ সময় মায়েদের অনেক সাবধানে চলাফেরা করতে হয়। তা না হলে সামান্য ভুলের জন্য আসন্ন সন্তান ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।’
২. তার সতর্ক করে থাকেন এই বলে যে, ‘এ সময় কোনো ধরনের ভারী কাজ একেবারেই নয়। কোনোভাবেই সন্তানের ক্ষতি হয় এই কাজগুলো করা যাবে না।’
৩. ‘এই বেশি করে শরীরের যত্ন নিতে হবে। সময় মত সব কাজ করে ফেলতে হবে। নিয়ম করে ঘুমানো, নিয়ম করে খাওয়া এবং নিয়ম করে গোসল সেরে নিতে হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম চলবে না। আস্তে আস্তে চলাফেরা করতে হবে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে।’
৪. ‘খাওয়া দাওয়া ঠিকভাবে করতে হবে। এ সময় এমনও হবে যে একেবারেই খেতে ইচ্ছা করবে না। কিন্তু তারপরও নিয়ম করে খেতে হবে। প্রয়োজনে অল্প অল্প করে বারবার খেতে হবে। প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, আমিষ, ভিটামিন খেতে হবে। মনে রাখতে হবে বাচ্চার সুস্থতা নির্ভর করে যথেষ্ট খাওয়া দাওয়ার উপরে।’
৫. সব আত্মীয় স্বজনরা গর্ভকালীন সমস্ত পরিকল্পনার কথা জানিয়ে দেন। তারা বলে থাকেন, ‘ তোমরা এখনই সিদ্ধান্ত নাও কোন হসপিটালে ডেলিভারী করাবে। সেখানকার সব ব্যবস্থা কেে রাখা ভালো। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নাও।’
৬. ‘ যে কোনো ভারী কাজ যেমন ঘর মোছা, কাপড় ধোয়া, আসবাবপত্র টানা এ সমস্ত কাজ একেবারেই করা চলবে না। এতে করে সন্তানের উপরে চাপ পড়বে। তাই এই ধরনের কাজ থেকে একেবারে বিরত থাকবে।’
৭. ‘ কোনো ধরনের বাজে চিন্তা করা যাবে না। মানসিকভাবে হতাশ থাকা যাবে না। রাতে ঘুম না আসলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।’
৮. এ সময় অনেক নারীরাই অনেক ফিগার নিয়ে টেনশনে পড়েন। এই বিষয়ে পরিবারের সবাই বলে থাকেন, ‘তোমার মাঝে এমন একটি ক্ষমতা আছে যে তুমি আরেকটি মানুষতে জন্ম দিতে পারছ। তাই তার যেন কোনো ধরনের সমস্যা না হয় তার দায়িত্ব তোমার। ফিগার নিয়ে অতিরিক্ত সচেতনতা আসন্ন সন্তানের জীবনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই এই বিষয় নিয়ে আপাতত চিন্তা না করাই ভালো।
৯. ‘তুমি বুড়ো হয়ে যাচ্ছ, বয়স বেড়ে যাচ্ছে, চেহারায় তার ছাপ পড়ছে, একজন গর্ভবতী মায়েদের এসব নিয়ে একেবারেই ভাবা উচিৎ নয়। এখন সময় তোমার সন্তানকে নিয়ে ভাবা।’
১০. ‘গর্ভকালে স্বামীর সাথে সহবাস করতে হলে অবশ্যই আসন্ন বাচ্চার কথা মাথায় রাখতে হবে। এমন কিছু করা উচিৎ নয় যেটিতে সন্তানের ক্ষতি হয়।’
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/36025#sthash.fmec4ayC.dpuf

যে খাবারগুলো আপনাকে রাখবে ‘সুপারফিট’ চিরকাল

কানিজ দিয়া


স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। স্বাস্থ্য ঠিক তো সব ঠিক। স্বাস্থ্য ঠিক থাকলেই আমরা শারীরিক ও মানসিকভাবে সকল ধরণের চাপ নেয়ার জন্য প্রস্তুত হতে পারি। আর আমাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য সব চাইতে বেশি প্রয়োজনীয় সঠিক খাবার।
যে খাবারগুলো আপনাকে রাখবে ‘সুপারফিট’ চিরকাল
খাবারই আমাদের দেহকে ঠিক রাখার জন্য সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য সুষম খাবারের বিকল্প নেই বলাই বাহুল্য। এমন অনেক খাবার রয়েছে যা আমাদের চিরকাল ফিট থাকতে অনেক সাহায্য করে। চলুন আজকে চিনে নেয়া যাক চিরকাল ‘সুপারফিট' থাকতে আমাদের যে খাবারগুলো প্রয়োজন সেই খাবারগুলোকে।
চিরকাল ত্বকে তারুণ্য ধরে রাখতে মাছ
সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন মাছ খেলে ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া, দাগ ও রিঙ্কেল পড়ার হাত থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব। মাছের প্রোটিন এবং ওমেগা৩ ফ্যাটি এসিড চামড়া ঝুলে পড়ার হাত থেকেও আমাদের ত্বককে রক্ষা করে থাকে।
মানসিক চাপমুক্ত থাকতে গ্রিন টী
গ্রিন টীর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কম্পাউন্ড আমাদের মস্তিস্কের রকের সুগারকে স্টিমুলেট করে আমাদের দেহে এনার্জি সরবরাহের হরমোন তৈরি করে। এছাড়াও এটি ভাললাগার হরমোন এন্ডোরফিন উৎপন্ন করে যা আমাদের মানসিক চাপকে দূর করে সহজেই।
স্মৃতিশক্তি উন্নয়নে হলুদ
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে হলুদ আমাদের স্মৃতিশক্তি প্রায় ৩০% পর্যন্ত উন্নত করতে সহায়তা করে। হলুদে বিদ্যমান কারকিউমিন আমাদের মস্ততিস্কের নিউরনের উন্নতি সাধন করে।
উচ্চরক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে দারুচিনি
গবেষণায় দেখা যায় প্রতিদিন মাত্র অর্ধেক চা চামচ পরিমাণে দারুচিনি গুঁড়ো আমাদের দেহের রক্তের চিনির মাত্রা কমিয়ে উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা প্রায় ২৯% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। তাই হেলথ এক্সপার্টগন উচ্চরক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য দারুচিনি খাওয়ার অভ্যাস করতে বলে থাকেন।
দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে শাকসবজি
প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় শাকসবজি রাখা হলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকগুণ পরিমাণে বেড়ে যায়। ফলে নান রোগ থেকে আমাদের দেহ রক্ষা পায় বেশ সহজেই। তাই খাদ্যতালিকায় রঙ বেরঙের সকল সবজি রাখালেই থাকতে পারবেন সুপার ফিট।
দেহের অভ্যন্তরীণ ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকতে মধু
মধু প্রাকৃতিক অ্যান্টি বায়োটিক হিসেবে অনেক আগে থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। নিয়মিত মধু খেলে আমাদের দেহের ভেতরকার ক্ষতিকর ভাইরাস সমূহ ধ্বংস হয়ে যায়। সাইনাসের সমস্যা এবং ঠাণ্ডা সর্দি ধরণের ছোটোখাটো রোগ দ্রুত সেরে যায়।

- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/36195#sthash.kotHnB7l.dpuf

Sunday, 7 July 2013

রোজায় দাঁতের যত্ন

রোজায় দাঁতের যত্ন:

রমজান মাসে দাঁতের যত্নে রাতে খাওয়ার পর এবং সেহরির পর দাঁত ব্রাশ করতে হবে। সেহরির শেষ সময়ের আগে অবশ্যই সবার ভালো টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করতে হবে। সেহরির পর দাঁত ব্রাশ না করলে রমজান মাসে আপনার দাঁতের সার্বিক অবস্থা খারাপ পর্যায়ে যেতে পারে। তবে সবার মনে যে প্রশ্ন দেখা দেয় তা হলো, টুথপেস্ট বা টুথব্রাশ ব্যবহার করা যাবে কি না। এক কথায় উত্তর দিতে হলে, রমজান মাসে দিনের বেলায় টুথপেস্ট ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ, টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করার সময় অসাবধানতাবশত কোনো কারণে পেস্ট যদি গলার ভেতরে যায়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে রোজা ভেঙে যাবে। তাই টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করা ঠিক নয়। এ ছাড়া টুথপেস্ট ব্যবহার করার সময় এর স্বাদ এমনিতেই গৃহীত হয়ে থাকে। আর কোনো কিছুর স্বাদ গ্রহণ করলে রোজা নষ্ট হবে না, কিন্তু মাকরুহ হয়ে যাবে। টুথপেস্ট ছাড়া অনেকে কয়লা বা ছাই দিয়ে দাঁত মেজে থাকেন।
দাঁতের যত্নে কয়লা ও ছাই এমনিতেই ব্যবহার করার ঠিক নয়। তার পরও অনেকে কয়লা ও ছাই ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু সবার একটি কথা জানা উচিত, কয়লা বা ছাই দিয়ে যদি দাঁত মাজা হয়, তাহলে যতই সাবধানতা অবলম্বন করা হোক না কেন, তা গলার ভেতর একটু হলেও চলে যায়। আর গলার ভেতর যাওয়ার অর্থই হলো রোজা ভেঙে যাওয়া। তাই রমজান মাসে নয় বরং অন্য সময়ও কয়লা বা ছাই ব্যবহার করা ঠিক নয়। রোজা রেখে টুথব্রাশ ব্যবহার করা যাবে কি না তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। শুধু টুথব্রাশ ব্যবহার করার ওপর কোনো নিষেধ নেই। তবে যেহেতু মাসটি রমজান, সেদিক থেকে এ মাসে টুথব্রাশ ব্যবহার না করে দিনের বেলায় নিমের ডাল বা জয়তুনের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করলে একদিকে যেমন দাঁতের যত্ন নেওয়া হবে, অন্যদিকে সুন্নতও পালন করা হবে।
হেলথ টিপস
ডাঃ মোঃ ফারুক হোসেন
ওরাল অ্যান্ড ডেন্টাল সার্জন

Wednesday, 5 June 2013

কোমরে ব্যথায় ১০ পরামর্শ

কোমরে ব্যথায় ১০ পরামর্শ 

কোমরে ব্যথা নিরাময়ে যেমন ব্যায়াম জরুরি, তেমনি সতর্কতাও কাজে আসে।

১. নিচ থেকে বা মাটি থেকে কিছু তুলতে হলে না ঝুঁকে হাঁটু ভাঁজ করে বসুন ও তারপর তুলুন।
২. ঘাড়ে ভারী কিছু ওঠাবেন না। ভারী জিনিস শরীরের কাছাকছি রাখুন। পিঠে ভারী কিছু বহন করতে হলে সামনে ঝুঁকে বহন করুন।
৩. ৩০ মিনিটের বেশি একনাগাড়ে দাঁড়িয়ে বা বসে থাকবেন না। হাঁটু না ভেঙে সামনের দিকে ঝুঁকবেন না। দীর্ঘ সময় হাঁটতে হলে উঁচু হিল পরবেন না। অনেকক্ষণ একনাগাড়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হলে কিছুক্ষণ পর পর শরীরের ভর এক পা থেকে অন্য পায়ে নিন। একটু বসে বিশ্রাম নিন।
৪. গাড়ি চালানোর সময় স্টিয়ারিং হুইল থেকে দূরে সরে না বসে সোজা হয়ে বসুন।
৫. চেয়ার টেবিল থেকে বেশি দূরে থাকবে না। সামনে ঝুঁকে কাজ করবেন না। কোমরের পেছনে সাপোর্ট দিন। এমনভাবে বসুন, যেন হাঁটু ও ঊরু মাটির সমান্তরালে থাকে। নরম গদি বা সিপ্রংযুক্ত চেয়ার পরিহার করুন। ছোট ফুট রেস্ট ব্যবহার করুন।
৬. উপুড় হয়ে শোবেন না। ফোম বা সিপ্রংয়ের গদিযুক্ত বিছানা পরিহার করুন। বিছানা শক্ত ও চওড়া হলে এবং তোশক পাতলা ও সমান হলে ভালো।
৭. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন।
৮. নিয়মিত কায়িক শ্রম করুন বা ব্যায়াম করুন। নিয়মিত হাঁটুন।
৯. কাটা-কোটা, রান্না, মসলা পেষা, ঘর মোছা, কাপড়কাচা, ঝাঁট দেওয়া বা নলকূপ চাপার সময় মেরুদণ্ড সাধারণ অবস্থায় এবং কোমর সোজা রাখুন।
১০. যাঁরা কোমরের ব্যথায় ভুগছেন, তাঁরা বিছানা থেকে ওঠার সময় সতর্ক হোন। চিত হয়ে শুয়ে প্রথমে হাঁটু ভাঁজ করুন। এবার ধীরে ধীরে এক পাশে কাত হোন। পা দুটি বিছানা থেকে ঝুলিয়ে দিন, কাত হওয়া দিকে কনুই ও অপর হাতের তালুর ওপর ভর দিয়ে ধীরে ধীরে উঠে বসুন।
অধ্যাপক মো. জিল্লুর রহমান
নিউরো সার্জারি বিভাগ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।

Tuesday, 28 May 2013

বুক জ্বলা, পেটে চিনচিনে ব্যথা ?


বুক জ্বলা, পেটে চিনচিনে ব্যথা?

 
bukjola
বুক জ্বলা, পেটের মাঝখানে চিনচিনে ব্যথা, পেট ফাঁপা ও ভার বোধ হওয়া, বুক-পেটে চাপ অনুভূত হওয়া—এসব হয়নি এমন মানুষ পাওয়া ভার। প্রচলিত কথায় একে বলে পেটে গ্যাস হয়েছে। পাকস্থলী থেকে খাদ্য হজম করার জন্য নির্গত হয় শক্তিশালী হাইড্রোক্লেরিক অ্যাসিড। যা পাকস্থলীকেই যেন হজম করে না ফেলে, সে জন্য এটির দেয়ালে থাকে প্রতিরোধী আবরণ। কোনো কারণে এই প্রতিরোধশক্তিতে ফাটল দেখা দিলে বা অতিরিক্ত অ্যাসিড নিঃসৃত হতে থাকলে পুরো ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। একে বলে গ্যাস্ট্রিক আলসার।
কিছু সাধারণ নিয়মকানুন পালন করলে এই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা অনেকটাই কমানো যায়।
১. নির্দিষ্ট সময়ে খাদ্য গ্রহণ করুন। পাকস্থলী নির্ধারিত সময়ে অ্যাসিড তৈরি হয়। এ সময় পেটে খাবার না পেলে সে নিজের দেয়ালেরই ক্ষতি করতে শুরু করে।
২. একবারে অতিরিক্ত পরিমাণ খাবার না খেয়ে সারা দিনের খাবারটাকে বেশ কয়েক ভাগে ভাগ করে নিন। অনেকক্ষণ একটানা না খেয়ে থাকবেন না। মূল খাদ্য যেমন প্রাতরাশ, মধ্যাহ্নভোজ বা নৈশভোজ কখনো একবারে বাদ দেবেন না। অনেকেই প্রাতরাশ না খেয়েই বাইরে চলে যান, অনেকে আবার খাদ্যনিয়ন্ত্রণের নামে নৈশভোজ না করেই শুয়ে পড়েন, এগুলো মোটেই ভালো অভ্যাস নয়।
৩. ঘুমানোর কমপক্ষে দুই ঘণ্টা আগে রাতের খাবার সেরে নিন। খাবার পর বসে পত্রিকা বা বই পড়ুন, অথবা টেলিভিশন দেখুন।
৪. ঘুমানোর সময় লক্ষ্য রাখুন, মাথা শরীরের চেয়ে ৬ থেকে ৮ ইঞ্চি ওপরে আছে কি না। অনেক সময় শোবার সমস্যার কারণে পাকস্থলীর খাবারসহ অ্যাসিড ওপরের দিকে ঠেলে আসে।
৫. ওজন কমান। মেদভুঁড়ি নিয়ন্ত্রণ করুন।
৬. ধূমপান, তামাক ও মদ্যপান এড়িয়ে চলুন।
৭. অতিরিক্ত চা-কফি, চকলেট, তৈলাক্ত ও ভাজা পোড়া খাবার, বেশি মসলা ও তেল দিয়ে প্রস্তুত খাদ্য যথাসম্ভব এড়িয়ে চলাই ভালো।
৮. মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তাও অনেক সময় এই সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। তাই মানসিক চাপ সামলানোর চেষ্টা করুন।
ডা. আ ফ ম হেলালউদ্দিন

ত্বকের চুলকানি কি করবেন


ত্বকের চুলকানি কি করবেন

 
ত্বক শরীরের সবচেয়ে বড় অঙ্গ এবং ইহার অনেক প্রকার গুরুত্বপূর্ণ কাজ রহিয়াছে। সাধারণত ত্বকের সুস্পষ্ট অনেক রোগের লক্ষণ হিসাবে চুলকানি হয়ে থাকে তবে ত্বকের রোগ ছাড়াও চুলকানি হতে দেখা যায়। দীর্ঘস্থায়ী বা তীব্র চুলকানি যথেষ্ট কষ্টদায়ক। ইহাতে কার্যক্ষমতা বাধাগ্রস্থ হয় এবং ত্বকও স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
ত্বকের অসুখের মধ্যে খোস পাঁচড়া, এটপিক, একজিমা, কনটাক্ট ডারমাটাইটিস, ডারমাটাইটিস হারপেটিফরমিস রোগে তীব্র চুলকানি হলেও সোরিয়াছিছ ওষুধের পার্শ প্রতিক্রিয়া, বুলাস চবসঢ়যরমড়রফ ও দাদ জাতীয় রোগে মৃদু চুলকানি হয়ে থাকে। চুলকানিতে এক ধরনের ওসসঁহড়ষড়মরপধষ প্রতিক্রিয়া বিদ্যামান।
ত্বকের সুষ্পষ্ট রোগ ছাড়াও যকৃতের রোগ, বৃক্ক বা কিডনির রোগ, রক্তেররোগ, থাইরয়েড গ্লান্ডের রোগ, এইচ.আই.ভি. ইনফেকশন, ক্যান্সার, গর্ভাবস্থায় চুলকানি, কিছু কিছু মানসিক রোগসহ আরো অনেক অসুখে চুলকানি হতে দেখা যায়। ত্বকের সুস্পষ্ট অসুখের অনুপস্থিতিতে চুলকানি হলে অনুসন্ধান করে ধৈর্য্য ধারন করে মূল অসুখটিরও চিকিৎসা করতে হবে। সাধারণ চুলকানিতে বাহ্যিক প্রয়োগের নন-ষ্টারয়েড লোশন ব্যবহার করা নিরাপদ। অপেক্ষাকৃত জটিল চুলকানিতে আক্রান- স্থানের অবস্থান, আয়তন এবং রোগের তীব্রতা অনুযায়ী সঠিক ক্ষমতা সম্পন্ন ষ্টারয়েড জাতীয় ওষুধ বাহ্যিক ব্যবহার করা যেতে পারে। অধিকতর জটিল চুলকানি এবং জবংরংঃধহঃ ঠধৎরবঃু ড়ভ টৎঃরপধৎরধ-এর ক্ষেত্রে এন্টিহিষ্টামিন (অহঃরযরংঃধসরহব) ও বিশেষ ক্ষেত্রে ইম্যুনোসার্প্রেসিভ ওসসঁহড় ঝঁঢ়ঢ়ৎবংংরাব জাতীয় ওষুধ মুখে সেবনের প্রয়োজন হয়। কোন কোন মুখে সেবনের ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে বিধায় রোগীর পেশা অনুযায়ী সাবধানে ওষুধ নির্বাচন করতে হয়।
ডা: এম এ রহমান
সিনিয়র কনসালটেন্ট
সরকারী কর্মচারী হাসপাতাল, ঢাকা।
চেম্বার: ক্যাশ এন্ড ক্যারি ফার্মা, আরামবাগ, মতিঝিল, ঢাকা।

বিয়ের আগে দাঁতের যত্ন


বিয়ের আগে দাঁতের যত্ন

 
teeth
বিয়ে মানুষের জীবনে একটি নতুন ধাপ। বিয়ে মানে দুটি মনের ব্যবধানকে শূন্যে নিয়ে এসে সামাজিকভাবে একে অপরকে স্বামী স্ত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।
আগের দিন গুরুজনেরা কনে পছন্দ করতেন হাঁটা-চলা পড়াশোনা (কলমা জানা) গায়ের রঙ দেখার মাধ্যমে। দিন পাল্টেছে। এখন পাত্র-পাত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতাই এখন বেশি প্রাধান্য দেয়। তারপরও মুখাবয়ব যত সুন্দরই হোক না কেন হাসতে বা কথা বলতে গিয়ে যদি দেখা যায় বর/কনের ভাঙ্গা দাঁত, ফাঁকা দাঁত, মুখে দূর্গন্ধ, কালো দাগযুক্ত দাঁত ইত্যাদি তাহলে উভয়ের পছন্দের মাঝে ডাটা পড়তেই পারে। এজন্য বিয়ের আগে বর-কনের শারিরীক সুস্থতার পাশাপাশি মুখের সুস্বাস্থ্যও নিশ্চিত করতে হবে।
যেমন বরের ক্ষেত্রে যে সমস্যাগুলো দেখায়-
০ ছেলেরা স্বভাবতই ধূমপান করে, ফলে দাঁতে কালো দাগ পড়ে। অতিরিক্ত চা-কফি পানেও এটি হতে পারে।
০ মুখে দূর্গন্ধ থাকতে পারে।
০ দাঁতে পাথর জমতে পারে।
০ পানের দাগ থাকতে পারে।
০ ভাঙ্গা দাঁতের উপস্থিতি।
০ দাঁতে ক্যারিজ থাকতে পারে।
কনের বেলায় থাকতে পারে-
০ মাড়ি লালচে এবং ফোলা ভাব।
০ মুখে দূর্গন্ধ।
০ আঁকা-বাঁকা, ফাঁকা দাঁত থাকতে পারে।
০ বিবর্ণ দাঁত।
উল্লেখিত সমস্যাগুলো বর-কনে উভয়েই থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে সমস্যানুযায়ী প্রতিকারও আছে যেমন-
০ ধূমপান সহ অতিরিক্ত চা-কফি পানের ফলে দাঁতে কালচে দাগের সৃষ্টি হয়। সেক্ষেত্রে স্কেলিং, স্টেইন রিমুভিং ও পলিশিং এর মাধ্যমে অবাঞ্চিত দাঁত দূর করাতে হবে।
০ মুখের দূর্গন্ধের নানা কারণ আছে। যেমন-
১. কিছু খাবার আছে যা খেলে মুখে দুর্গন্ধ হয় যেমন বেশি মসলাদার খাবার, কাঁচা পেয়াজ-রসুন খাওয়া ইত্যাদি।
২. বহুদিন যাবত দাঁতে পাথর জমলে।
৩. মাড়িতে ইনফেকশন থাকলে।
৪. দীর্ঘদিন যাবত ফুসফুসের ইনফেকশনে ভুগলে।
৫. সাইনুসাইটিস থাকলে।
৬. দাঁতে ক্যারিজ থাকলে।
৭. মুখে আলসার থাকলে।
৮. মুখে ফাংগাল ইনফেকশন থাকলে ইত্যাদি।
উক্ত সমস্যাগুলো যদি থেকে থাকে তবে তার যথাযথ চিকিৎসা ডেন্টাল সার্জনের মাধ্যমে করিয়ে নিতে হবে।
০ দাঁতে পাথর জমলে অবশ্যই স্কেলিং পলিশিং করিয়ে নিতে হবে।
০ দাঁতে পানের দাগসহ কঠিন কোন দাগ থাকলে ব্লিচিং করিয়ে নেয়া যেতে পারে।
০ মুখে ভাঙ্গা-ফাটা ক্ষয়ে যাওয়া দাঁত থাকলে ক্যাপ বা ক্রাউন করে নিলে হারানো সৌন্দর্য পুরোপুরি ফিরে পাওয়া সম্ভব।
০ চোয়ালে কোথাও দাঁত না থাকলে ব্রীজের মাধ্যমে তা প্রতিস্থাপন করে নিতে হবে।
০ দাঁতে ক্যারিজ থাকলে তার অবস্থান, বিস্তৃতি ও রোগের ইতিহাস জেনে দরকার হলে এক্সরে করে ফিলিং বা রুট ক্যানেল ক্যাপ করে দাঁতের হারিয়ে যাওয়া সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে হবে।
০ সুন্দর চেহারা, গায়ের রঙ ভাল ত্বক সবই উপস্থিত কিন্তু হাসলেই দেখা যায় লাল টকটকে ফোলা মাড়ি তখন সবই মাঠে মারা যায়। এক্ষেত্রে মাড়ির চিকিৎসা করাতে হবে।
০ আঁকা-বাঁকা ফাঁকা দাঁতের চিকিৎসা করাতে হবে। যেহেতু এই চিকিৎসা একটু ব্যববহুল ও সময় সাপেক্ষ তাই বিয়ের কমপক্ষে এক দেড় বছর আগে থেকে এই চিকিৎসা শুরু করতে হবে।
০ অনেক রোগীই বলেন, ‘দিনে ৪ বার দাঁত ব্রাশ করি তবুও দাঁত হলুদ, নিঃস্প্রাণ’, আর কি করলে দাঁত সাদা চকচকে সুন্দর হবে।’ আসলে বিবর্ণ দাঁতের অনেক কারণ আছে। যেমন-
১. আঘাতের ফলে সৃষ্ট বিবর্ণ দাঁত।
২. টেট্রাসাইক্লিন পিগমেন্টেশন।
৩. জনগত কারণ ইত্যাদি।
সমস্যা ও রোগের ইতিহাস জেনে দাঁত পরীক্ষা করে বিবর্ণ দাঁতে বিভিন্ন রকম চিকিৎসা দেয়া যেতে পারে। যেমন লেমিনেটিং ফিলিং, ক্রাউন ইত্যাদি হতে পারে। এছাড়াও দাঁতে ব্লিচ করা যেতে পারে। এতে দাঁত হবে ঝকঝকে সুন্দর-সাদা, বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রায়ের দাঁতও ছিল হলদেটে বিবর্ণ। যথাযথ চিকিৎসার পর এখন তার দাঁত সুন্দর।
০ দাঁতে ব্যথা থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে ব্যথার কারণ খুঁজে যথাযথ চিকিৎসা করাতে হবে।
০ এছাড়াও পেহাটাইটিস, এইড্‌স ইত্যাদি পরীক্ষা করে নেয়া যেতে পারে। স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। একে পরিপূর্ণ রাখতে সুস্থ দাঁত ও মাড়িও বাদ পড়ে না। বিয়ের আগে হবু দম্পতির শারিরীক সুস্থতার পাশাপাশি মুখের সুস্থতাও অত্যন্ত জরুরি। মুখের যেকোনো সমস্যায় যথাযথ চিকিৎসার জন্য অবশ্যই অভিজ্ঞ ডেন্টাল সার্জনের পরামর্শ নিতে হবে। বছরে অন্তর দু’বার আপনার ডেন্টাল সার্জনের পরামর্শ নিন।
ডা. নাহিদ ফারজানা
দন্ত রোগ বিশেষজ্ঞ,
চেম্বার : নাহিদ ডেন্টাল কেয়ার
২১৬/বি, এলিফ্যান্ট রোড

ভালো ঘুমের জন্য টিপস্‌


ভালো ঘুমের জন্য টিপস্‌


সকলে চায় সারাদিনের ক্লান্তি শেষে রাতে ভালো ঘুম হউক। আর অনেকে ঘুমের জন্য কতনা যুদ্ধ করেন। শেষ পর্যন্ত অনেককে ঘুমের ওষুধ পর্যন্ত সেবন করতে হয়। তবে ভালো ঘুমের জন্য যা জানা দরকারঃ
০ নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে যাতে শরীরে অবসাদ না পেয়ে বসে।
০ সন্ধ্যা ৭টার পর কফি বা ক্যাফেইন সমৃদ্ধ খাবার ও পানীয় থেকে বিরত থাকুন।
০ ঘুমাতে যাবার অন্তত: ১ ঘন্টা পূর্ব থেকে কোন চিন্তার কাজ করবেন না। টোটাল রিল্যাক্সড মুড়ে থাকতে হবে।
০ ঘুমানোর ঘরটি হতে হবে একেবারেই কোলাহলমুক্ত।
০ ঘুমানোর সময় সব ধরণের বাতি নিভিয়ে দিন।
০ যদি ঘুম আসতে বিলম্ব হয় তবে খানিকটা লম্বা শ্বাস নিন।
০ সম্ভব হলে ১ গ্লাস হালকা গরম দুধ পান করুন।
০ রাতে গোসলের পর অয়েল ম্যাসাজ নিতে চেষ্টা করুন।
০ এসব করেও যদি ঘুম না আসে তখন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ডা: মোড়ল নজরুল ইসলাম

বিষাদ বিদায় শেষে


বিষাদ বিদায় শেষে

 
nafisa
জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে আমরা যে কেউ ডিপ্রেশনে বা হতাশায় ভুগতে পারি। ডিপ্রেশন বা হতাশা কোন স্থায়ী রোগ নয়। যদিও অনেক বিশেষজ্ঞের মতে ডিপ্রেশনকে রোগ বলে গন্য করা হয়। কোনো কারণে দুঃখকষ্ট যখন আমাদের মনে গভীরভাবে বসে যায়, তার ফলে আমরা যখন আমাদের স্বাভাবিক কাজগুলো করতে পারি না তখনই ডিপ্রেশনের উদ্ভব হয়। দিনে দিনে এই ডিপ্রেশন ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশন বা ডিপ্রেসিভ ডিজঅর্ডার-এ রূপ নেয়। এর পরিণতি খুব ভাল নয়, তা আমাদের জানা। তাই ডিপ্রেশন উড়িয়ে দিয়ে কিভাবে স্বাভাবিক জীবন যাপন করা যায় তার কিছু টিপ্‌স জেনে নেয়া যাক-
০০ বিষাদ কাটাতে পছন্দসই কাজে ব্যস্ত থাকুন।
০০ প্রতিদিন একই রুটিনের জীবন-যাপন থেকে বেরিয়ে আসুন।
০০ প্রতিদিনের রুটিনে কিছু বিনোদনের সময় রাখুন। যেটা ঘরে বসে টিভি দেখা না হয়ে সিনেমা কিংবা মঞ্চে নাটক দেখা হতে পারে।
০০ যার সহচার্য ভাল লাগে তার সঙ্গে সপ্তাহে একবার আড্ডা দিন। পারলে প্রতিদিন ফোনে কথা বলুন।
০০ মাঝেমধ্যে গেটটুগেদার করুন।
০০ কর্মজীবী বলে বাড়ির কাজ করা হয়না অবসরে। একঘেয়ে ভাব দূর করতে ছুটির দিনে ঘরকন্যার কাজ করতে পারেন।
০০ যান্ত্রিকজীবন থেকে বেরিয়ে আসতে নিজে বারন্দায় গাছ লাগাতে পারেন। কোন কারণে মন বিষন্ন হলে প্রবাসী বন্ধুর সাথে চ্যাটিং করে অন্য পরিবেশে প্রবেশ করুন। বেড়াতে যান দূরে কোথাও।
০০ কাজের ব্যস্ততাকে দূরে ফেলে দু-তিন দিন সময় করে প্রকৃতির কাছাকাছি চলে যান।
০০ আপনজনের সাথে নিজের আনন্দের স্মৃতিগুলো নিয়ে আলোচনা করুন। চলে যান শৈশবে।
০০ পরিবারের সবাইকে নিয়ে দেশের বাড়িতে যেতে পারেন। নিজের শেকড় চিনতে দিন নতুন প্রজন্মকে।
০০ সমর্থ হলে প্রতিবেশি কোন দেশে ট্যুর করতে পারেন।
লক্ষ্যণীয়
০০ এক জায়গায় আটকে থকবেন না।
০০ ইতিবাচক চিন্তা করুন।
০০ আত্মমর্যাদা বৃদ্ধি করুন।
০০ যেকোনো সম্পর্কের ক্ষেত্রে নিঃস্বার্থ হোন
০০ যেকোনো সমস্যা নিয়ে আলোচনা করুন। আলোচনার সময় নিরপেক্ষ হন।
০০ শেয়ার করুন। মন খুলে কথা বলুন।
০০ ভাল বই, ভাল গান এবং ভাল সিনেমা দেখুন।
০০ সবাইকে বন্ধু ভাবুন।
০০ শপিং করুন। নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকুন। বিউটিপার্লারে যেতে পারেন।
০০ খাবারের মেন্যুতে ভিন্নতা আনতে পারেন।
মডেল নাফিসা ছবি সাফাওয়াত খান সাফু

চোখ উঠলেই আঁতকে ওঠা নয়


চোখ উঠলেই আঁতকে ওঠা নয়

 
চোখ ওঠা রোগকে চিকিৎসাশাস্ত্রে কনজাংটিভাইটিস বা পিংক আই বলে। রোগটি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে। কখনো কখনো রোগটি ব্যাকটেরিয়া, অ্যালার্জি কিংবা কেমিক্যালের কারণেও হতে পারে। এটা এক ধরনের ছোঁয়াচে রোগ। মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমিত হয়। আক্রান্ত ব্যক্তির ধরা বস্তু ও পানির মাধ্যমেও রোগটি ছড়াতে পাড়ে। প্রধান উপসর্গের মধ্যে চোখ লাল হওয়া, চোখে ঝাপসা দেখা, চোখ দিয়ে পানি পড়া এবং চোখের কোণে ময়লা জমা উল্লেখযোগ্য। অ্যালার্জিজনিত কারণে চোখ উঠলে প্রধান চিকিৎসা হলো চোখে ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিতে হবে। এবং এ ক্ষেত্রে কখনো কখনো নন-স্টেরয়েড অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি ওষুধ অথবা অ্যান্টি হিস্টামিন দেওয়া যেতে পারে। ব্যাকটেরিয়াজনিত কারণে চোখ উঠলে কোনো ধরনের চিকিৎসা ছাড়াই এটি ভালো হয়ে যায়। আর যদি রোগটি তিন দিনের বেশি স্থায়ী হয় অ্যান্টিবায়োটিক চোখের ড্রপ অথবা মলম ব্যবহার করা যেতে পারে। ভাইরাসজনিত কারণে চোখ ওঠার নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই। এ ক্ষেত্রে ঠান্ডা পানি এবং কৃত্রিম চোখের পানি দিলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। কেমিক্যালের কারণে চোখ ওঠার ক্ষেত্রে রিঙ্গার ল্যাকটেট অথবা স্যালাইন পানি দিয়ে চোখ ধুতে হবে। কোন কারণে চোখ উঠেছে নিশ্চিত হতে হলে করতে হবে সোয়াব কালচার পরীক্ষা। প্রায় ৬৫ ভাগ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের চিকিৎসা ছাড়াই চোখ ওঠা ভালো হয়ে যায়। এবং রোগটি স্থায়ী হতে পারে দুই থেকে পাঁচ দিন। তাই এই রোগ নিয়ে সত্যিই আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
— সিদ্ধার্থ মজুমদার

মাথা খাটিয়ে মাথা ব্যথা দূর


মাথা খাটিয়ে মাথা ব্যথা দূর


ঘাড়ের উপর মাথা থাকলে ব্যথাতো হতেই পারে। আর একটু আধটু ব্যথার জন্য নিজে নিজে ওষুধ খেয়ে ফেলাটাও কোন কাজের কথা না। আগে থেকে কিছুটা সতর্ক হলে মাথা ব্যথার মতো ঝামেলা এড়ানো যায় কিন্তু সহজেই।
মাছের তেলে
মাছ খেতে হবে প্রতি বেলায়। পুষ্টির চাহিদা তো মিটবেই মাথা ব্যথা প্রতিরোধেও কার্যকর মাছ। মাছের তেলে থাকে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। এটিই মূলত মাথা ব্যথার বিরুদ্ধে কাজ করে। মাছের তেলের ক্যাপসুল পাওয়া যায় বাজারে। চিকিৎসকের পরামর্শে নিয়ম করে খেতে পারেন ক্যাপসুলটি।
আপেলে
রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠেই যারা মাথা ব্যথায় ভোগেন তাদের সমাধান আপেলে। আপেলের বাইরের আস্তরন ফেলে সামান্য লবণ মিশিয়ে খেতে হবে সকালে খালি পেটে। এভাবে চলবে টানা দুই সপ্তাহ।
আদা
আদার উপাদানগুলো থ্রম্বোক্সিনকে কাজে লাগিয়ে শরীরে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে। যেটা মাইগ্রেইনের ব্যথা প্রতিরোধে খুব কার্যকর। এ ছাড়া আদায় বমিভাব দূর হয়, দূর হয় মাথা ব্যথা।
বসার ভঙ্গিতে
দেহকে বাকিয়ে বা হেলে দীর্ঘক্ষণ বসলে স্নায়ুকোষ উদ্দীপ্ত হয়। এ থেকে তৈরি হতে পারে মাথা ব্যথার মতো অনাবশ্যক সব রোগ। তাই বসতে হবে সোজা হয়ে। দাঁড়াতে হবে আরও সোজা হয়ে।
সিদ্ধার্থ মজুমদার

ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য মেথি


ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য মেথি

 
মেথিকে মসলা, খাবার, পথ্য—তিনটাই বলা চলে। মেথির স্বাদ তিতা ধরনের। এতে রয়েছে রক্তের চিনির মাত্রা কমানোর বিস্ময়কর শক্তি। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মেথি চিবিয়ে খেলে বা এক গ্লাস পানিতে মেথি ভিজিয়ে রেখে সেই পানি খেলে শরীরের রোগ-জীবাণু মরে, বিশেষত কৃমি মরে, রক্তের চিনির মাত্রা কমে। রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা চর্বির মাত্রা কমে যায়। এই গরমে ত্বকে যে ঘা, ফোড়া, গরমজনিত ত্বকের অসুখ হয়, এই অসুখগুলো দূর করে মেথি। বার্ধক্যকে দূরে ঠেলে দিয়ে তারুণ্যকে দীর্ঘস্থায়ী করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে মেথি। গবেষণা করে দেখা গেছে, যে ডায়াবেটিক রোগীরা নিয়মিত মেথি খান, তাঁদের ডায়াবেটিসজনিত অসুখগুলো কম হয় এবং স্ট্রোক হওয়ার প্রবণতা তুলনামূলকভাবে কম। ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য মেথি শ্রেষ্ঠ পথ্য।
যাদের ডায়াবেটিস নেই মেথি তাদের জন্যও জরুরি। মাতৃদুগ্ধ বৃদ্ধির জন্য কালো জিরার মতো মেথি পিষে খাওয়াটাও যথেষ্ট উপকার। তবে খেয়াল রাখতে হবে, মেথি ভেজে পিষলে পুষ্টি সব নষ্ট হয়ে যাবে। রৌদ্রে শুকিয়ে নিয়ে ভাজলে খেতে মচমচে লাগবে। মেথি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, শরীরকে রাখে সতেজ। রক্তের উপাদানগুলোকে করে কর্মক্ষম। ফলে মানুষের কর্মোদ্দীপনাও বৃদ্ধি পায়। মৌসুমি রোগগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। নানাবিধ গুণের জন্যই মেথি হোক আপনার পরিবারের সদস্য।
ফারহানা মোবিন