mahabubalkiran1's Profile Pictures album on Photobucket
Showing posts with label Jokes. Show all posts
Showing posts with label Jokes. Show all posts

Thursday, 13 February 2014

কার বেশি সুখ

: বলো তো সেক্স করার সময় ছেলে না মেয়ে কে বেশি আনন্দ পায়?
: অব্যশই মেয়ে ।
: কেন ?
: যখন কাঠি দিয়ে কান খোঁচাও আরামটা কোথায় লাগে, কানে না লাঠিতে ??

আমার টাকাটা দিয়ে যাবেন

স্বামী-স্ত্রী রতিক্রিয়ার সময়–
স্ত্রীঃ আজ তোমার কেমন লাগছে গো?
স্বামীঃ দারুন লাগছে ডার্লিং… ইচ্ছে করছে তোমার ভিতর চিরদিনের জন্য ডুকে যাই।
বারান্দায় কাজের বুয়াঃ ডুকে যাওয়ার আগে আমার টাকাটা দিয়ে যাবেন।
 - See more at: http://www.ebanglajokes.com/761#sthash.D6dlfTta.dpuf

ওহ শিট!

তিনজন নানের মধ্যে কথা হচ্ছিল। প্রথম জন বলল, ‘ফাদারের ঘর পরিস্কারের সময় আমি কি পেয়েছিলাম জানো? অনেকগুলো পর্ণগ্রাফিক ম্যাগাজিন!’
‘তো তুমি সেগুলো দিয়ে কী করলে?’ অন্য জন্য জিজ্ঞেস করল।
‘ফেলে দিয়েছিলাম।’
দ্বিতীয়জন বলল, ‘গতকাল আমি তার ঘরে অনেকগুলো কনডম পেয়েছিলাম।’
অন্য দুইজন খুব অবাক হল। পরে জিজ্ঞেস করলো সে সেগুলো কী করেছে।
দ্বিতীয়জন বলল, ‘সবগুলা ছিদ্র করে রেখে দিয়েছিলাম।’
তৃতীয়জন বলল, ‘ওহ শিট!’
- See more at: http://www.ebanglajokes.com/6572#sthash.HV5X1YK3.dpuf

অভাব

একটা পিচ্চি ছেলে আরেকটি পিচ্চি মেয়ে পাশাপাশি দুইটি বাড়িতে থাকে। ছেলেটির মা ছেলেটিকে একদিন একটা ফুটবল কিনে দিল। ছেলেটি সেটা মেয়েটিকে দেখালে মেয়েটি বলল আমাকে খেলতে নাও। ছেলেটি বলল, ‘এটা ছেলেদের খেলা। তুমি খেলতে পারবে না।’
মেয়েটি মন খারাপ করে চলে গেল। পরেরদিন মা’কে বলে নিজে একটা ফুটবল কিনে ছেলেটিকে দেখিয়ে দেখিয়ে বাড়ির সামনে একা একা খেলতে লাগল।
ছেলেটি এবার একটা সাইকেলের ব্যবস্থ
া করে মেয়েটিকে দেখিয়ে বলল, ‘তুমি এটা চালাতে পারবে না।’
কিন্তু দেখা গেল পরেরদিন মেয়েটিও সাইকেলে চড়ছে।
ছেলেটি এবার প্যান্ট খুলে নিজের গোপনাঙ্গ দেখিয়ে বলল, ‘এবার যাও, পারলে তোমার মা’কে বলো তো এমন কিছু তোমাকে কিনে দিতে পারে কিনা?’
পরের দিনে মেয়েটি বাড়ির আঙিনায় দাঁড়িয়ে নিজের প্যান্ট খুলে নিজের গোপনাঙ্গের দিকে ইঙ্গিত করে বলল, ‘মা বলেছে যতদিন আমার এইটা থাকবে ততদিন তোমার মত ওরকম জিনিসের অভাব হবে না।’
- See more at: http://www.ebanglajokes.com/6565#sthash.J0vUSOJS.dpuf

Monday, 27 May 2013

শামসু আর তার কলেজ এর ম্যাডমঃ

শামসু আর তার কলেজ এর ম্যাডমঃ
শামসু আর তার কলেজ এর নতুন যুবতি ম্যাডম সোনিয়া একই বাসে করে কলেজ শেষে বাড়ি যাচ্ছিলেন। বাসে সিট খালি ছিল না, তাই তারা দুই জনে দাড়িয়ে যেতে হচ্ছে। বাসে অনেক লোকের বিঁড়ে শামসুর গায়ে ম্যাডম এর বুক বার বার দাক্কা লাগতাছে। ম্যাডম ও এই বেপার তা পাত্তা দিতাছেনা। তাই শামসু আর সহ্য করতে না পেরে, ম্যাডম কে বলেই পেল্ল। যে ম্যাডম, আপনার অ্যাপেল দুইটি আমার গায়ে লাগছে। ম্যাডম উত্তর দিলো, অ্যাপেল তো আমার তোমার প্রব্লেম কোথাই?
শামসু উত্তর দিলো, অ্যাপেল তো আপনার ঠিক আছে কিন্তু জুস তো আমার বাহির হইতেছে।

ম্যাডম রেগে গিয়ে- ছুপ কর বেয়াদপ। এই কথা বলে, গাড়ি থেকে নেমে গেলো। হাজার হইলে ও যুবতি ম্যাডম এর গায়ের স্পর্শ পাইছে শামসু, তাই শামসু ও মনের আনন্দে তার বাসাই ছলে গেলো। শামসু আর তার চাচা, খুবই বন্দুর মতন। তাই শামসু তার চাচার কাছে তার নতুন ম্যাডম এর কথা বলেছে। জান, ছাচু, আমাদের কলেজ এতে আজ একটা নতুন ম্যাডম এসেছে , সে কিনা অনেক হট। শামসুর চাচা , রেগে গিয়ে বলে , হারম জাদা, পড়া লেখার নাম নাই, তুই ম্যাডম এর দিকে চোখ দেস। তুই জানশ না, ম্যাডম রা মা এবং চাঁছি এর সমান হয়। তাই বাতিজা বলে, হুম সব সময় তো নিজের কোথাই ছিন্তা করলা..............................ও------------------------------------- 

ভার্সিটি তে একছেলে এক মেয়ে বলতে

ভার্সিটি তে একছেলে এক মেয়ে বলতেছেঃ
ছেলেঃ হে সুন্দরি, তোমার নাম কি ?
মেয়েঃ এখানে সবাই আমাকে ভোন বলে ডাকে।

ছেলেঃ এক্টূ ছিন্তা করার পরে বলে,ও আচ্চা, তাহলে তুমি সেই মেয়ে যার জন্য, সবাই আমাকে দুলা ভাই বলে ডাকে ।

ডাক্তার এবং ভদ্রলকঃ

ডাক্তার এবং ভদ্রলকঃ
একলোক ডাক্তার এর ছেম্বার এতে গেল,কারন তার ইয়ে দাড়ায় না। ডাক্তার শুনে বল্লেন, বিয়ে করেছেন ন?
রুগিঃ না।
ডাক্তারঃ প্রেমিকা আছে?
রুগিঃ না।
ডাক্তারঃ পরকীয়া করেন?
রুগিঃনা।
ডাক্তারঃ টান বাজারে যান?
রুগিঃ না।
ডাক্তারঃ মাস্টেরবেসন করেন?
রুগিঃ না।

ডাক্তারঃ ক্ষেপে গিয়ে বল্লেন, ওই মিয়া- তাহলে দাড়া করাইয়া কি করবেন, 
ক্যালেন্ডার এতে টাংগা বেন নাকি ?

ম্যাডআম এর ব্লাউজ এর গোলাফ ফুল :

ম্যাডআম এর ব্লাউজ এর গোলাফ ফুল :
একবার ক্লাস এতে ম্যাডম এর ব্লাউজ এর মদ্দে একটা গোলাফ ফুল লাগিয়ে ক্লাস এতে আসল। কথা প্রসঙ্গে ছাত্র দের কে জিজ্ঞাস করলো যে, বলতো গোলাপ এর পুষ্টি কোথাই থেকে আসে?
ছাত্রঃ ম্যাডম, দুধ থেকে।
ম্যাডমঃ না,পানি থেকে। এত সহজ একটা প্রশ্ন পারলা না তোমরা?
ছাত্রঃ আমি কেমনে জান্মু যে, এই টার ডাটা এত নিচে গেছে।

ম্যাডমঃ soock..........

বস এবং সনিয়াঃ

বস এবং সনিয়াঃ
বসঃ আচ্ছা সনিয়া, তুমি অফিস এতে প্রতিদিন ছোট ছোট কাপড় পড়ে আসো কেন?
সনিয়াঃ বস,আপনি খুব কম বেতন দেন বলে আমার পজ্জাপ্ত কাপড় কিনার জন্য বাড়তি টাকা থাকেনা।
বসঃ আগামী মাস থেকে তোমার টাকা বন্দ।
সনিয়াঃ Shoock……

বসঃ Roock………...

একটি মেয়ের সাতে সেনরাঃ

রাস্তার পাশে একটি মেয়ে সেনরার প্যাকেট নিয়ে দাড়িয়ে আছে। এমন সময় এক ভিক্ষুক এসে বল্লেন যে, আপা দুইটা টাকা দেন।

মেয়েতাঃ বল্ল যাও তো,টাকা নাই।
ভিক্ষুকঃ দেন না আপা?
মেয়েটাঃ উফফ, যেতে বল্লাম না তোমাকে?
ভিক্ষুকঃ আপা,টাকা না দিলে,আপনার হাতের রুটির প্যাকেট টা দেন।............।
মেয়েটাঃ কাল এসো, জেলি মাখিয়ে দিবো........................।

Sunday, 26 May 2013

এক কিপ্টা লোকঃ

এক কিপ্টা লোকঃ
এক চরম কিপ্টা লোক, সমুদ্দ্রে গোসল করতে গিয়ে ডুবে যেতে লাগলো। সে তখন দোয়া করতে লাগলো বিদাতার কাছে, যে হে বিদাতা, আমি যদি বেছে যাই, তাহলে আমি ১০০০ এতিম কে ২ বেলা বিরিয়ানি খাবাব। তখন বড় একটি স্রোতে , তাকে সাগর তিরে নিয়ে এলো।
সে তখন দাড়িয়ে বল্ল, যে হাহা, কিসের বিরিয়ানি !!!
তখন হটাথ আরও একটা ডেও এসে তাকে ভাসিয়ে নিয়ে গেলেও ।
তখন সে বলতে লাগলো, আমি বলতে চাচ্ছি যে,

 চিকেন বিরিয়ানি নাকি কাচ্ছি বিরিয়ানি।

বিয়ের ১০ বছর পূর্তিতেঃ

বিয়ের ১০ বছর পূর্তিতেঃ
স্ত্রীঃ বিষণ্ণ বঙ্গিতে স্বামীকে বলতাছে,তুমি আমাকে কখনও ভালবাসনি।
স্বামীঃ রেগে গিয়ে,আমি তোমাকে ভাল না বাসলে এই এক হালি ছেলে-মেয়ে কোথাই থেকে আশে,আমি কি এই গুলো ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে নিয়েছে?

স্ত্রীঃ ততদিক রেগে গিয়ে,তোমার যা ডাউনলোড স্পিড!!! এগুলো তো আমি পাশের বাড়ির বলতু,পল্টু,আর পিন্টুর পেন্ড্রাইব থেকে নিয়েছি। 

এক পাগলের কাহিনিঃ

এক পাগলের কাহিনিঃ
এক পাগল রাস্তার মাজ খানে দিয়ে মনের সুখে গান গাইয়ে গাইতে হাটিতাছে তাছে।

তো পিছন থেকে একটা ট্রাক এসে হর্ন বাজানো শুরু করলো। কিন্তু পাগল তো সাইড দেয় না। তখন হেল্পার চিৎকার দিয়ে বলে উঠল এই বেটা রাস্তা ছার,তা না হইলে ট্রাক তোর গায়ে উঠে যাবে। পাগল হাস্তে হাঁসতে তাকিয়ে বলে,সালার বেটা,একটু আগে আমার উপার দিয়ে প্লেইন গেলো আমার কিছু হোল না, এর সে আসে ট্রাক নিয়ে।

সাদ্দাম,বুস,এবং লাদেন

সাদ্দাম,বুস,এবং লাদেন এর বিচার হইতেছেঃ
বিছারকঃ বিচার করতাছে, বিচার কাজ্জক্রম হল যে তারা তিন জনে সমান অপরাদি,তাই তাদের তিন জঙ্কে ২০ করে বেত্ত্রাগাথ নিতে হবে।
প্রথমে-
বুশঃ কে বল্লেন,শাস্তি পাওয়ার আগে তোমার শেষ ইচ্ছা কি ?
বুশ বল্ল জে,আমার পিঠে একটা বালিস বাদা হোক।
বুশের পিঠে বালিস বাদা হোল। ১০ বারী সহ্য করার পর,বুশের বালিস পেটে জায়,তার পরে বুশকে আরও ১০ বারী অনেক কস্ট করে সহ্য করতে হয়েছে।
তার পরে আসল-
লাদেনঃ এর পর লাদেন কে বল্ল বিছারের আগে তোমার শেষ ইচ্ছা কি?
লাদেন বলে,আমার পিঠে ২ টি বালিস বাদা হয়ুক।
লাদেন এর পাথে ২ তি বালিস বাদা হোল। তাই লাদেন কে এর বাত্ত্রা গাথ সহ্য করতে হোল না।
তার পরের বিচার হোল সাদ্দাম এর।
সাদ্দামঃ কে বলা হোল, বিছারের পূর্বে তোমার শেষ ইচ্ছা কি?
সাদ্দাম বল্ল, আমার পিঠে বুশ কে বাদা হয়ুক।
তার পর সাদ্দাম তো Rock হোয়ে গেলো..................

অবশেষে লাদেন ও সাদ্দাম বেচারা বুশ কে পুরা বেত্ত্রা গাথ খেতে হোল।

ছেলে-মেয়ের কথাঃ

ছেলে-মেয়ের কথাঃ
ছেলেঃ এক সুন্দুরি মেয়ে কে দেখে জিজ্ঞাস করলো,আপু আপনি কি সিঙ্গেল ?
মেয়েঃ না, আমার সাতে জুতা আছে।
ছেলেঃ আপনার জুতাটা অনেক সুন্দর।
মেয়েঃ খুলবো নাকি?
ছেলেঃ তাই নাকি, ছেলে টি একটু ভেবে ছিন্তে বল্ল যে আপনার গায়ের জামা টি আরও বেশি সুন্দর।
মেয়েঃ shock……

ছেলেঃ Rock………….

Wednesday, 22 May 2013

স্বামী স্তিরির বাসর রাত্রিঃ


স্বামী স্তিরির বাসর রাত্রিঃ
বাসর রাতে স্বামী তার বউ এর চোকে বার বার চুমো দিচ্ছে। ..................।
এতে বউ খানিক টা বিব্রত হচ্ছে...........................।।
এবং স্বামীকে জিজ্ঞাশা করলো যে, আচ্ছা বলত তুমি আমার চোখে এত চুমু খাইতেছ কেন?
স্বামীই বলে, তোমার চোখ হল আমার কাছে ভালবাসার বই, যতই দেখি শুদু পাঠ করতে ইচ্ছে করে।
তার বউ বলে,তুমি এখানে বই নিয়ে বাস্ত আর নিচে আমার লাইব্রেরীতে আগুন জলতাছে।

ডাক্তার এবং ভদ্র মহিলাঃ


ডাক্তার এবং ভদ্র মহিলাঃ

মহিলাঃ ডাক্তার সাহেব আমার না, স্তন গুলো খুব ছোট,বড় করার মত কোন সিস্টেম আছে নাকি?
ডাক্তারঃ ডাক্তার ও বেজায় লম্পত,সে ছিন্তা করতে লাগলো যে অনেক দিন পরে একটা ভাল রুগি পাওয়া গেলো। তার পরে সে উত্তর দিল যে অবশ্যই আছে।
মহিলাঃ তাহলে আমাকে কি করতে হবে?
ডাক্তারঃ প্রতিদিন আমার ছেম্বারে আসুন,কি করতে হবে আপনাকে আমি বলব।
মহিলাঃ পরের দিন ডাক্তার এর ছেম্বারে আসলো !
ডাক্তারঃ এখানে বসুন,বসার পর ডাক্তার বলতে লাগ্ল,দেখুন এটা এমন একটা রোগ জে,আমি অনেক সময় দরে জান্তে সক্ষম হয়েছী,যদি আপনি কাউকে দিয়ে চোষান তাহলে আপনার স্তন বড় হবার সম্বভনা আছে। আপনে যদি ছান আমি ও করে দিতে পারি, ডাক্তার তো তাই রুগির উপকার করাই আমার কাজ।
মহিলাঃ ডাক্তার এর সুযোগ বুজতে পেরে বলল ,আচ্ছা ঠিক আছে, তাহলে আমার টা আজ থাকুক,এখন আমার স্বামীর পেনিস টা ছোট , তার পেনিস টা ছুশে একটু লম্বা করে দিন। যদি আমার স্বামীর পেনিস লম্বা হয় , তাহলে পরে আমার টা নিয়ে ছিন্তা করব। ওকে ডাক্তার।
ডাক্তারঃ Shock……….
মহিলাঃ  Rock…………………..!!!

এক রাজার মেয়ের গল্পঃ


এক রাজার মেয়ের গল্পঃ
এক রাজা ছিল,তার একটি মেয়ে ছিল। তার মেয়ে ছিল খুব সেক্সি। মেয়েটি অনেক সেক্সি হওয়াতে কেউ তাকে আনন্দ দিতে পারে না। তাই মেয়েটি কাউকে বিয়ে ও করে না। তাই রাজার মেয়ের বিয়ে না হবার কারনে,রাজা খুব ছিন্তিত। তাই রাজা ঘোষণা করলো, যে তার মেয়ে কে অনেক ভালবাসবে ও বেশি সুখ দিতে পারবে,তাহলে তার কাছে তার মেয়ে কে বিয়ে দিবে। আর যে পারবে না, তাকে শাস্তি হিসেবে তার লিঙ্গ কেটে নেয়া হবে।
এই ঘোষণা এর পর অনেক লোক আসল রাজার মেয়ে কে বিয়ে করার জন্য। সবাই তো মেয়ে কে ভালবাসল কিন্তু কেউ তাকে শান্তি দিতে পারল না। ঘোষণা ক্রমে সবাই তাদের লিঙ্গ হারাল।
একদিন এক টাক মাথার লোক এসে হাজির হইল রাজার দরবারে। তার আর্জি ছিল রাজার কাছে যে সেই রাজার মেয়ে কে বিয়ে করতে রাজি।
রাজা ও অনেক ছিন্তা করে রাজি হল। টাক মাথার বাক্তির সাতে বিয়ে হবার পর,রাজার মেয়ে খুব খুশি ও আনন্দিত। ঘোষণা অনুযায়ী টাক মাতার লোক,রাজার মেয়ে কে নিয়ে গেলো, রাস্তার পাশের মানুষ তাকে বল্লেন যে ভাই আপনি কেমন করে রাজার মেয়ে কে শুক ও আনন্দ দিলেন,টাক মাতার লোকটি উত্তর দিলেন যে, বুদ্দিমান লোকেরা মাথা দিয়ে করে ।
সবাই Sock……………………..
টাক মাথার লোকটি Rock…………………….

ভার্সিটির ছেলে মেয়ের মাজেঃ


ভার্সিটির ছেলে মেয়ের মাজেঃ
ছেলেঃ ছেলে এক মেয়েকে দেখে টিজ করার উদ্দেশে বলে , যাইবা নাকি কাজী অফিস।
মেয়েঃ চল ।
ছেলেঃ কই যামু ?
মেয়েঃ প্রিঞ্ছিপলের কাছে।
ছেলেঃ অমাহ ! আপু আপনার সাতে কি একটু মস্কারা ও করা যাবেনা ?
মেয়েঃ আরে, পাগল হানিমুনের ছুটি নিতে হবেনা।

ছেলে এন্ড মেয়ের মাযে


ছেলে এন্ড মেয়ের মাযে দুষ্টোমীঃ
ছেলেঃ একটা ফাজিল ছেলে এক মেয়ে কে দেখে বলে যে, ম-য় আকার মা +ল।
মেয়েঃ মেয়ে টা ও ফাজিল,সে উত্তর দিল, টা কেটে দিলে হয় না।
ছেলেঃ ছেলে ও ছেরে দেবার নয়,ও বলে আমি ছেড়ে দিলে ও বাবা তোমাকে ছাড়বে না।
মেয়েঃ Sock………………
ছেলেঃ Rock……………